ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক অধিবেশনে ইরানের ওপর নতুন করে এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য ব্যক্তিবর্গ ও সংস্থা যারা ইরানে বিক্ষোভ দমন বা রাশিয়ার প্রতি সমর্থনের সঙ্গে জড়িত। ইরানে সম্প্রতি সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভ দমন বা রাশিয়ার প্রতি সমর্থনের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও সংস্থা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। সেই সূত্রে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসও(আইআরজিসি) এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।একজন ইইউ কূটনীতিক জানিয়েছেন, ইইউ শিগগিরই ইরানের আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে। এতে আইআরজিসি ইসলামিক স্টেটস (আইএস) ও আল-কায়দার মতো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সমপর্যায়ে বিবেচিত হবে।
ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ পূর্বে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও, সম্প্রতি তারা সমর্থন জানিয়েছে। এতে ইইউ’র ২৭ সদস্য দেশের মধ্যে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদনের সম্ভাবনা বেড়েছে।এই নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে ইরানকে অভ্যন্তরীণ আন্দোলন দমন ও সামরিক সহযোগিতার জন্য দায়ী করা হতে পারে। বিশেষত ইউক্রেনে ইরানের ভূমিকার দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর ইরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, অর্থনীতির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি দেখভাল করে।