বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাসের অনেক আগেই দেখা দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। খরা, তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড় ও দাবানলের মতো দুর্যোগ এখন ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়; বর্তমানেই বাস্তব হয়ে উঠেছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৫ সাল ছিল ইতিহাসের তৃতীয় উষ্ণতম বছর। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতে, প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে নির্ধারিত ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির সীমা ২০৩০ সালের আগেই অতিক্রম হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০৫০ বা ২০৬০ সালের জন্য যেসব চরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো এখনই ঘটছে। ২০২৫ সালে ক্যারিবীয় অঞ্চলে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ এবং যুক্তরাষ্ট্রে দাবানলে শত শত মানুষ মারা গেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরোপে তাপপ্রবাহজনিত মৃত্যুর বড় অংশই জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফল। একইভাবে পাকিস্তান, কেনিয়া ও সোমালিয়ায় বন্যা ও খরায় লাখো মানুষ চরম সংকটে পড়েছে।
২০২৫ সালে জলবায়ুজনিত দুর্যোগে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন শুধু জরুরি সহায়তা নয়, দীর্ঘমেয়াদে মানুষের সহনশীলতা বাড়ানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তথ্যসূত্র : ইন্ডিপেনডেন্ট