Image description

ইরানে হামলার খায়েশ নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তেহরানকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদ্দামের বরাতে ডনের এক প্রতিবেদনে এ তত্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত মোঘাদ্দাম জানান, বুধবার পাকিস্তান সময় রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি এ-সংক্রান্ত তথ্য পান। ওই বার্তায় বলা হয়, ট্রাম্প যুদ্ধ চান না এবং ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক স্বার্থে কোনো ধরনের হামলা না চালানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, ইরানের জনগণের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার বৈধ অধিকার রয়েছে এবং সরকার ইতোমধ্যে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী ইরানে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে এবং একই সঙ্গে মসজিদেও হামলা করেছে।

 

এদিকে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে একটি বিমানবাহী রণতরী ও তার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নির্দেশনা পেয়ে ইতোমধ্যে তা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মার্কিন গণমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগনের নির্দেশে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী ও তার সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য বা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন নেই।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ হিসেবে গত অক্টোবরে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী রণতরীকে ভূমধ্যসাগর থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে পাঠানো হয়। এর ফলে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য উত্তেজনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারের মতো কোনো বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ ছিল না, যা আগের সংকটগুলোর সময় দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এক মার্কিন নৌবাহিনী কর্মকর্তার বরাতে বর্তমানে ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছে মাত্র ৬টি।