Image description

কিউবা ইতোমধ্যেই পতনের মুখে পড়েছে। দেশটির অর্থনীতি অকার্যকর এবং সরকারও জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারছে না। কিউবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দেশটির মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো সুফল বয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যেতে পরিবর্তন প্রয়োজন।

রাজনৈতিকবিশ্লেষণ

 

স্থানীয় সময় সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব দাবি করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সত্য হলো, কিউবা এরই মধ্যে পতনের মুখে। দেশটির কার্যকর কোনো অর্থনীতি নেই। আর যারা দেশ পরিচালনা করছেন, তারা এখনো এমন এক বিপ্লবের কথা বলে চলেছেন, যার মৃত্যু ঘটেছে ২০ বছর আগেই। কিউবার বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা অকার্যকর। এটি একটি কার্যকর অর্থনীতি বা সরকার—কোনোটিই গড়ে তুলতে পারেনি। তার ভাষায়, কিউবা সব অর্থেই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।

কিউবার অর্থনৈতিক সংকটের উদাহরণ হিসেবে দেশটির নাগরিকদের বিদেশে পাড়ি জমানোর বিষয়টিও তুলে ধরেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ২০২১ সাল থেকে কিউবার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ দেশ ছেড়ে চলে গেছে। এই ব্যাপক অভিবাসন দেশটির ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থতার’ই পরিণতি।

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে কিউবা ভিন্ন একটি পথ বেছে নেবে। শুধু অর্থনৈতিক সংস্কার করলেই কিউবার বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন হবে না। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হবে। কিউবায় আগে রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সম্ভব নয়। দুটি পরিবর্তন অন্তত একই সময়ে এগিয়ে নিতে হবে এবং এর জন্য একটি পরিবর্তনকাল প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি