Image description

ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই শান্তি সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে কাতারের স্থায়ী প্রতিনিধি আলিয়া আহমেদ সাইফ আলে-সানি।

বুধবার রাতে পশ্চিম এশিয়া ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আরব দেশগুলোর পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

আলিয়া আহমেদ বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। যেসব দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে, তাদের সংখ্যা বাড়া ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে ইতিবাচক পদক্ষেপ।

তিনি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে ইসরায়েলের অব্যাহত ও গুরুতর লঙ্ঘনের নিন্দা জানান। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের বিরোধিতারও সমালোচনা করেন।

নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রিয়াদ মনসুর বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ ও ভূমি সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য সরাসরি হুমকি।

তিনি বলেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসরায়েল ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ধ্বংস এবং রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নস্যাৎ করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

রিয়াদ মনসুর ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। পশ্চিম এশিয়া চিরস্থায়ী যুদ্ধের জন্য অভিশপ্ত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে এ অঞ্চলের জন্য ভিন্ন ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব।

এদিকে জাতিসংঘের পশ্চিম এশিয়া শান্তি প্রক্রিয়ার বিশেষ সমন্বয়কের উপ-সমন্বয়কারী রামিজ আল-আকবরভ গাজার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির কথা তুলে ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের মানবিক পরিস্থিতির দিকে জরুরি মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, গাজার ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা জরুরি।

সেখানকার ফিলিস্তিনিরা ক্রমেই আশা হারাচ্ছেন।

রামিজ আল-আকবরভ আরও জানান, গাজার বড় একটি অংশে এখনো প্রবেশাধিকার মারাত্মকভাবে সীমিত। ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম অনেক পিছিয়ে রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

শীর্ষনিউজ