Image description

সৌদি আরব পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে যে, ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না দেশটি। এমন খবরের মধ্যেই এই ঘোষণাটি এসেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রিয়াদের সঙ্গে একটি বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিকে ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছেন।

 

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য কংগ্রেসে পাঠিয়েছেন। তবে সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ না দেওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি কার্যকর হবে না বলে তিনি শর্ত দিয়েছেন।

মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, “প্রেসিডেন্টের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ না দিলে চুক্তিটি এগোবে না।”

গত মাসে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমানের মধ্যে পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই শর্তের কথা সামনে এসেছে।

 

তবে ইসরাইলের চ্যানেল ১২-কে দেওয়া বক্তব্যে সৌদি এক কর্মকর্তা পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি যুক্ত করার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে রিয়াদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

 

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট, দৃঢ় ও অপরিবর্তনীয়। ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক হবে না।’

 

তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির বৃহত্তর কৌশলগত অংশীদারত্বের অংশ। তাই এর সঙ্গে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের শর্ত যুক্ত করা উচিত নয়।

 

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর