Image description
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় বেশ কিছু অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাসহ চার জনকে। এসব অস্ত্র ও গুলি ভারতের বিহার থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 
শনিবার (২২ আগস্ট) মুর্শিদাবাদে জেলা পুলিশ সুপার শচীন মক্কার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নির্বাচন পর থেকেই পলাতক ছিলেন মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস যুব নেতা পাপাই ঘোষ। সম্প্রতি তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। নিজেদের হেফাজতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শুক্রবার একটি অভিযান পরিচালনা করে বহরমপুর থানার পুলিশ।
 
বহরমপুরে পাপাই ঘোষের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয় ৭টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫টি ম্যাগাজিন এবং ১৭০ রাউন্ড গুলি। গ্রেপ্তার করা হয় আরও তিনজন দুষ্কৃতীকে। ধৃত দুষ্কৃতকারীদের পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে আবারও মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে শক্তিপুর থানার পুলিশ। এ সময় আবারও উদ্ধার হয় ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৫টি পিস্তল।
 
পুলিশ সুপার জানায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পেরেছে এই অস্ত্রগুলি বিহার থেকে কেনা হয়েছিল মূলত বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে। তবে এটাই প্রথম নয় এর আগে চলতি মাসেই পশ্চিমবঙ্গের এই মুশিদাবাদ জেলা এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে বাংলাদেশে পাচারের আগে উদ্ধার হয়েছে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র।
 
চলতি মাসের ১২ তারিখ মুশিদাবাদের জিয়াগঞ্জ থেকে উদ্ধার হয়েছে সাতটি ৭ এমএম পিস্তল, দশটি খালি ম্যাগজিন, ৩৫টি লাইভ কার্তুজ। এই ঘটনার মাত্র একদিন পর ১৩ আগস্ট পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্তের কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি ৯ এমএম পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন।