যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সময় শনিবার আনসার ও দেইর আল-জাহরানি এলাকায় হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। সাতজন একই পরিবারের সদস্য। খবর বিবিসির।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম জানান, বৈরুত থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে আনসার শহরের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে হামলায় সাতজন নিহত হন।
তিনি বলেন, নিহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। সেখানে কোনও ‘সামরিক অবকাঠামো’ ছিল না।
পরে দেইর আল-জাহরানিতে কয়েক দফা হামলায় আরও চারজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
আইডিএফের দাবি, ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার পর হিজবুল্লাহর রাদওয়ান ফোর্সের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার আলি সামির আল-হাজ হাসানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি ও আরও কয়েকজন নিহত হন।
আইডিএফের দাবি, হাসান পরিবারের সদস্যদের ‘মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছিলেন’।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, হিজবুল্লাহর হামলায় তিন ইসরায়েলি সেনা গুরুতর আহত হওয়ার পর পাল্টা হামলা চালানো হয়।
হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করা হয়েছে।
গত ২ মার্চ ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধে লেবানন জড়িয়ে পড়ে। এরপর হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট হামলা চালালে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে ইসরায়েল লেবাননে বিমান ও স্থল হামলা শুরু করে। ইসরায়েলি বাহিনী এখনও দেশটির প্রায় ৫ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে।