শনিবার (২৩ মে) ভোরে আলজাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুতেরেসকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে কূটনীতিকে দুর্বল করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে অংশগ্রহণ করছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, গুতেরেস যে কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে শক্তিপ্রয়োগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কূটনীতির মাধ্যমে এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন।
আব্বাস আরাঘচি এমন সময় এ মন্তব্য করেছেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি খসড়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আলোচনা চলছে। আর এতে ভূমিকা রাখছে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান।
এরই মধ্যে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির আলোচনার জন্য ইরানে পৌঁছেছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) তেহরানের ইউরেনিয়াম মজুত ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকার তথ্য সামনে আসে।
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। আবার হরমুজ প্রণালিতে টোল বসানোর কথাও বলেছে দেশটি। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইরানের উদ্দেশ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো মূল্যে ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
তবে চলমান এই আলোচনা নিয়ে কিছুটা ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি জানান, দুই দেশের সংলাপে ‘কিছু ভালো লক্ষণ’ দেখা যাচ্ছে।