Image description

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে আবারও হামলা পাল্টা-হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনীর ওপর ইরানের ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে তারা ইরানের বেশ কিছু সামরিক স্থাপনায় আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে।

 

শুক্রবার (৮ মে) এক প্রতিবেদেন এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

 

সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর তিনটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার— ইউএসএস ট্রুক্সটন, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা এবং ইউএসএস মেসন যখন হরমুজ প্রণালি পার হচ্ছিল, তখন ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং ছোট নৌকার সাহায্যে হামলা চালায়। হামলাগুলো তারা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়, পরে এর জবাব পাল্টা হামলায় চালায়। তবে এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো যুদ্ধজাহাজ বা সরঞ্জামের ক্ষতি হয়নি।

 

পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ইরানের ভূখণ্ডে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, সামরিক কমান্ড সেন্টার এবং গোয়েন্দা নজরদারি কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে।
ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির অবনতি বা যুদ্ধ চায় না। তবে নিজেদের সেনাদের রক্ষায় তারা যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

 

 

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের দাবি, হামলায় কেশম দ্বীপের বাহমান পিয়ারের বাণিজ্যিক স্থাপনা এবং বন্দর খামির ও সিরিকের উপকূলীয় বেসামরিক এলাকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী। ইরান বিষয়টিকে তাদের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলার অংশ হিসেবে দেখছে।