Image description

গতকাল রাত ৮টার (১১-ই মার্চ) দিকে ইরানের সাথে সমন্বয় করে উত্তর ইসরায়েলে একযোগে ১০০টি রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ। সংঘাত শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় রকেট হামলা। ইসরায়েলের 'চ্যানেল ১৪'-এর মতে, এই হামলায় যে কেউ আহত হয়নি, তা এক অলৌকিক ব্যাপার। অবশ্য কয়েকজন কর্মকর্তা ক্ষয়ক্ষতির কথা জানিয়েছেন, তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমরা সাধারণত খুব সামান্য তথ্যই পেয়ে থাকি।

এই হামলার কারণে লাখ লাখ ইসরায়েলিকে আশ্রয়কেন্দ্রে (শেল্টার) ছুটে যেতে হয়। ইসরায়েলি সরকার এই বিষয়টিকে খুব সতর্কতার সাথে সামলাচ্ছে। তারা জানে যে জনগণ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে সমর্থন করে, কিন্তু ইসরায়েলিদের কতটা সময় আশ্রয়কেন্দ্রে আটকে রাখা হচ্ছে, সে বিষয়ে তাদের সতর্ক থাকতে হবে।

আমরা এই সংঘাতের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে চলে এসেছি এবং মনে হচ্ছে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা যুদ্ধের জন্য নির্ধারিত মূল লক্ষ্যগুলো থেকে কিছুটা পিছু হটছেন। শুরুতে তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানে সরকার পরিবর্তন এবং ইরানি হুমকি নির্মূল করা। তবে এখন তারা সবচেয়ে সম্ভাব্য লক্ষ্যটির দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে, আর তা হলো—ইরান ও হিজবুল্লাহর হুমকি দূর করা।

হিজবুল্লাহর বিষয়টি অবশ্য ভিন্ন। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা লেবাননে বড় পরিসরে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি। তারা বলছেন, ইরানের ফ্রন্ট (রণাঙ্গন) শান্ত হলে তারা হয়তো দক্ষিণ লেবাননে আরও বেশি সেনা পাঠাবেন।

সূত্র : আল জাজিরা