Image description

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ডেকে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ জানার উদ্যোগ নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফল ঘোষণা করেন। এরপর আনুষঙ্গিত অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ঘোষিত ফলাফলে এবার ১১টি সাধারণ ও বিশেষায়িত বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একজনও পাস করেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এইচএসসি ও সমমানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ডাকা হয়েছে। তারা আমাদের কাছে কারণ ব্যাখ্যা করবেন।  তারপর তাদের বক্তব্য শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

 

জানা গেছে, ২০২৫ সালে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। সে হিসেবে এবার শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান ৯১টি বেড়েছে। আর শতভাগ পাস করেছে ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানে। ২০২৫ সালে ছিল ৩৪৫টি। শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান কমেছে ২০৬টি। 

একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এবার পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। চলতি বছরের এইচএসসিতে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।