প্রায় দেড় যুগ বিরতির পর চলতি বছর থেকে ফের শুরু হয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া এ পরীক্ষা শেষ হয় ১৮ এপ্রিল। আগামী বৃহস্পতিবার (২১ মে) ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে এদিন ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব না হওয়ায় জুনের শুরুতে ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) এ. এস. এম. সিরাজুদ্দোহা মঙ্গলবার (১৯ মে) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা ২১ মে ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিলাম। তবে তা সম্ভব হচ্ছে না। ঈদের পরে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। আশা করি, জুনের প্রথম সপ্তাহে ফলাফল প্রকাশ করতে পারব।’
চলতি বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার শুরুর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষার রুটিন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করে। এতে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা এবং পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।
রুটিন অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরীক্ষার সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন রাখা হয়েছিল।
নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচন করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।