Image description

‘রিয়েলিটি শো’ মানেই নিত্যনতুন কৌশল, বিশ্বাসভঙ্গ আর আবেগপ্রবণ মুহূর্ত। এবার রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরে ক্যাপ্টেনসি দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো চরম উত্তেজনা। খেলা চলাকালীন দলেরই সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী মনামী। সতীর্থ রাজবীর ও নন্দিনীর বিরুদ্ধে তার স্পষ্ট অভিযোগ, তারা তাকে বিপক্ষ দলের কাছে ‘বেচে দিয়েছেন’।

অনুষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী, সঞ্চালক জীতুর পরিচালনায় দুই দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগীদের বল ছিনিয়ে নেওয়ার একটি তীব্র লড়াই শুরু হয়। ক্যাপ্টেন নিরঞ্জন এই খেলায় ভরত কলকে বাইরে রাখেন। খেলায় এক দলে ছিলেন মনামী, নন্দিনী, রাজবীর ও সোনামণি। অন্য দলে ছিলেন সৃজলা, দুর্নিবার, তনুশ্রী ও নিরঞ্জন।

প্রত্যেকের কাছে একটি করে বল থাকলেও, বিপক্ষ দলের বল ছিনিয়ে বালতিতে জমা করাই ছিল মূল লক্ষ্য। খেলার শর্তে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল জামাকাপড়ের ভেতরে বল লুকানো যাবে না, জলে ফেলা যাবে না এবং খেলার খাতিরে পুরুষ প্রতিযোগীরা মহিলা প্রতিযোগীদের স্পর্শ করলে তা নিয়ে অহেতুক ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলা যাবে না।

খেলা শেষ হতেই চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন মনামী। তাকে শান্ত করতে এগিয়ে আসেন ভরত কল। তখন কান্নায় ভেঙে পড়ে মনামী ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিযোগ করেন, সতীর্থ রাজবীর ও নন্দিনী তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিপক্ষ দলের কাছে ‘বেচে’ দিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, ভরত কলের বিরুদ্ধেও তার অভিযোগ ছিল। ভরত তাকে বারবার সামনে ঠেলে দিলেও প্রয়োজনের মুহূর্তে তার পাশে দাঁড়াননি বা সমর্থন করেননি। ভরত কল তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও নিজের ক্ষোভ ও অভিযোগে অনড় থাকেন মনামী।

মনামীর এই ক্ষোভের নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর এক পরিকল্পনা সামনে এসেছে। গুঞ্জন উঠেছে, ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে থাকা নিরঞ্জনের সঙ্গে নন্দিনীর একটি গোপন চুক্তি হয়েছিল। সেই ছক অনুযায়ী, সৃজলাকে আউট করার পর নিজেদের দল থেকেই মনামীকে সরিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে একে অপরকে কুপোকাত করে দুর্নিবারকে ক্যাপ্টেন করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।