Image description

ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে হচ্ছে, “সাতক্ষীরায় বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে, টা'কা নেওয়ার সময় আটক জা’মা’য়া’ত নেতা” 

দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে। 

দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, জামায়াত নেতা আটকের দাবিটি সত্য নয়। 

যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন পাওয়া যায়।

প্রথম আলো “সাতক্ষীরায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নারীদের এনআইডি-ছবি সংগ্রহের অভিযোগ” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী , সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অর্ধশতাধিক নারীর কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ছবি সংগ্রহের অভিযোগ উঠে মিলন হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, তিনি কেরালকাতা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ পেয়ে তাঁর বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন এবং তাঁর কাছ থেকে ৫২ নারীর এনআইডির ফটোকপি ও ছবি উদ্ধার করা হয়। 

কেরালকাতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, “মিলন আওয়ামী লীগের সমর্থক ও প্রতারক চরিত্রের। ইতিপূর্বে হত্যা, মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় জেলও খেটেছেন।”

অভিযুক্ত মিলন হোসেন দাবি করেন, ফেসবুকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের একটি পোস্ট দেখে তিনি নিজ উদ্যোগে এলাকার গরিব মানুষের তালিকা করতে ৫২ নারীর এনআইডি ও ছবি সংগ্রহ করেন। এ কাজে কেউ তাঁকে দায়িত্ব দেননি বলে জানিয়ে তিনি বিষয়টিকে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান।

একই বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টার, সমকাল, বাংলাভিশন-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো বিশ্লেষণ করে কোথাও আভিযুক্ত ব্যক্তির জামায়াতে ইসলামীর সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়না।