Image description
 

জাতীয় গণতান্ত্রিক দলের মুখ্যপাত্র ও সহসভাপতি রাশেদ প্রধান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “সাথে থাকলে সঙ্গী, আর পাশে না থাকলে জঙ্গি—এটাই কি রাজনীতির নীতি?”

 

তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াত যখন একসাথে ঐক্যবদ্ধ ছিল, তখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বারবার বলেছেন যে, যুদ্ধাপরাধীর নামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে বিচার করা হচ্ছে। অথচ এখন জামায়াতকে নিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত বক্তব্য দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে গড়েয়া বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, বয়সের কারণে বর্ষীয়ান নেতা মির্জা ফখরুল অনেক সময় ভুলভাল কথা বলেন—এটা আমরা বুঝতে পারি। কখনো বলেন জামায়াত ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ আফগানিস্তান হবে, আবার কিছুদিন আগে বলেছিলেন পাকিস্তান হয়ে যাবে। একেক সময় একেক কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগের সময়েও বাংলাদেশের মানুষ আফগানিস্তান, পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশের মতো হতে চায়নি। নতুন বাংলাদেশের মানুষ লন্ডনেও পালিয়ে যেতে চায় না। আমরা বাংলাদেশকে একটি সোনার দেশে পরিণত করতে চাই।

 

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই—আল্লাহর আওয়াস্তে সংলগ্ন করে কথা বলুন। কার বিষয়ে কী বলছেন, সেটা বুঝে বলুন।”
এ সময় তিনি বলেন, অনেকে বলে থাকেন, যথেষ্ট বয়স হওয়া সত্ত্বেও মির্জা ফখরুল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। এমনকি কেউ কেউ দাবি করেন, তার পিতা নাকি ওই সময়ে একজন পরিচিত রাজাকার ছিলেন—যা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ প্রধান বলেন, “দেলোয়ার হোসেন উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। জীবনের পাঁচ বছরের বেশি সময় তিনি জেলখানার অন্ধকার কক্ষে কাটিয়েছেন। রিমান্ডের নামে টানা ৫০ দিনের বেশি নির্যাতন সহ্য করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে তাকে বিজয়ী করে আমরা আগামীর প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমানকে উপহার দেবো।