বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ২০০৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল, সেটা মেটিকুলাস বিভিন্ন শক্তি নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল। তা না হলে বিএনপি এত জনপ্রিয় দল ৩০০ সিটের বদলে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ সিট কেন পাবে?
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত বেগম জিয়ার স্মরণে শোক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, একটা পক্ষ তখন বাংলাদেশকে বিরাজনীতিককরণের খেলায় মেতে ছিল। কিন্তু জনগণ এখন সজাগ। তারা বাংলাদেশে কোনো শক্তি ও পরাশক্তির নিয়ন্ত্রণে বিরাজনীতিকরণের দিকে যেতে দেবে না।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়। এজন্য তিনি প্রথমে তিনটি পরে পাঁচটি আসনে নির্বাচন করেছেন। জয়ী হয়ে জনপ্রিয়তার প্রমাণও দিয়েছেন। এটা ছিল তার প্রতি জনগণের ভালোবাসা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বেগম জিয়া ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত শুধু সংগ্রাম আর হামলার শিকার হননি। তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবু তিনি সহ্য করে গেছেন।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘আমি একদিন ওনাকে বলেছিলাম, ম্যাডাম, আপনার ওপর এসব মিথ্যা মামলা নিয়ে আমরা কিছু করতে চাই। তখন তিনি বলেন, না না, কিছুই প্রয়োজন নেই। আমি নিয়মের মাধ্যমে প্রমাণ করব তাদের এসব কিছু মিথ্যা। আমি ছিলাম নির্দোষ। আর এই প্রমাণ জনগণও দেখবে।’
তিনি বলেন, অবশেষে ২৪ সালের ৫ আগস্ট জয় হয়েছে। যারা দেশ, জনগণের ক্ষতি করতে চাইছিল, তাদের সোচনীয় পরাজয় হয়েছে। প্রমাণ হয়েছে খালেদা জিয়াই সত্য। জনগণের কাছেও স্পষ্ট হয়েছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাতের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডা. সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী ও মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারিক, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস ও সহসভাপতি মো. মাহবুব আলম, এনডিপির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল ও মহাসচিব জামিল আহমেদ, গণদলের মহাসচিব সৈয়দ আবু সাঈদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব রেজওয়ান মোর্তজা, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আওলাদ হোসেন শিল্পী প্রমুখ।