ঢাকা মহানগর ও জেলার ২০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৮টিতে প্রার্থী দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাঁদের মধ্যে বার্ষিক আয় ও সম্পদের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে ঢাকা-২০ আসনের প্রার্থী প্রকৌশলী নাবিলা তাসনিদ। তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ টাকা, সম্পদ আছে প্রায় ৫ কোটি টাকার। এরপরই আছেন ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থী তারেক আহম্মেদ আদেল। তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ৪১ লাখ টাকা, সম্পদ আছে প্রায় ৪ কোটি টাকার।
ঢাকায় এনসিপির আট প্রার্থীর মধ্যে এই দুজনই কোটিপতি। তাঁদের মধ্যে আদেল আগে জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা ছিলেন। গত ১০ ডিসেম্বর দলীয় প্রার্থীদের প্রাথমিক একটি তালিকা (আংশিক) প্রকাশ করেছিল এনসিপি। তখন জানা যায়, আদেল এনসিপি থেকে নির্বাচন করছেন।
এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে বার্ষিক আয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে ব্যবসায়ী তারেক আহম্মেদ আদেল। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ১৪৮ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮৫২ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় করেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫০ টাকা।
ঢাকায় এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে সম্পদের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর বার্ষিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা হলেও নিজের ও স্ত্রীর নামে সম্পদ আছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করছেন।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় এনসিপির প্রত্যেক প্রার্থী আয় ও সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেছেন। এনসিপি নির্বাচনী আসন সমঝোতা করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১২ দলের সঙ্গে। এই সমঝোতায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলটির অন্তত ১৫ জন কেন্দ্রীয় নেতা গত ১০ দিনে পদত্যাগ করেছেন।
বার্ষিক আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে নাবিলা তাসনিদ। তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ৫ হাজার ১৭৫ টাকা। এর মধ্যে শুধু চাকরি থেকে তাঁর আয় ৩২ লাখ ১১ হাজার ৭৩৫ টাকা বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
ঢাকায় এনসিপির আট প্রার্থীর মধ্যে হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন চারজন। তাঁরা হলেন নাবিলা তাসনিদ (ঢাকা-২০), তারেক আহম্মেদ আদেল (ঢাকা-৭), এস এম শাহরিয়া (ঢাকা-৫) ও আরিফুল ইসলাম (ঢাকা-১৮)। আরিফুল অবশ্য ব্যবসার পাশাপাশি পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতার কথাও উল্লেখ করেছেন।
অন্য চার প্রার্থীর মধ্যে মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (জাবেদ রাসিন) পেশায় আইনজীবী। তিনি ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। পেশা হিসেবে ‘উন্নয়নকর্মী’ উল্লেখ করেছেন ঢাকা-১৯ আসনের প্রার্থী দিলশানা পারুল। ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ‘মার্কেটিং কনসালট্যান্ট’ (বিপণন পরামর্শক)। আর ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ‘পরামর্শক’।
ঢাকায় এনসিপির আটজন প্রার্থীর মধ্যে দুজন নারী। তাঁরা হলেন নাবিলা তাসনিদ ও দিলশানা পারুল।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া দলের প্রার্থী জাবেদ রাসিনের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা, আরিফুল ইসলামের ৬ লাখ টাকা ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়স
ঢাকায় এনসিপির আটজন প্রার্থীর মধ্যে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন তিনজন। তাঁরা হলেন নাহিদ ইসলাম, আরিফুল ইসলাম ও এস এম শাহরিয়া। স্নাতকোত্তর করেছেন চারজন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দিলশানা পারুল, নাবিলা তাসনিদ ও জাবেদ মিয়া। আর মাধ্যমিক বা এসএসসি পাস প্রার্থী একজন—তারেক আহম্মেদ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় এনসিপির আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের বয়স ৩৫-এর মধ্যে। একজন চল্লিশোর্ধ্ব, আরেকজনের বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব। প্রার্থীদের মধ্যে নাহিদের বয়স ২৭, আরিফুলের ২৯, পাটওয়ারীর ৩০, শাহরিয়ার ৩০, জাবেদের ৩৫, নাবিলার ৩৫, পারুলের ৪৫ আর আদেলের বয়স ৫১ বছর।
বার্ষিক আয়
এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে বার্ষিক আয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে ব্যবসায়ী তারেক আহম্মেদ আদেল। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ১৪৮ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮৫২ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় করেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫০ টাকা।
বার্ষিক আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে নাবিলা তাসনিদ। তাঁর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ৫ হাজার ১৭৫ টাকা। এর মধ্যে শুধু চাকরি থেকে তাঁর আয় ৩২ লাখ ১১ হাজার ৭৩৫ টাকা বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল বছরে আয় করেন ২০ লাখ টাকা। তিনি কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া দলের প্রার্থী জাবেদ রাসিনের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা, আরিফুল ইসলামের ৬ লাখ টাকা ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
‘দরিদ্র’ প্রার্থী
ঢাকায় এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ‘দরিদ্র’ এস এম শাহরিয়া। পেশায় ব্যবসায়ী এই প্রার্থী হলফনামায় কোনো আয় দেখাননি। তবে নিজের সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার আয় দেখিয়েছেন শাহরিয়া। এর বিপরীতে তিনি ৫ হাজার টাকা করও দিয়েছেন।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, এস এম শাহরিয়ার ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকার অস্থাবর সম্পদ আছে। এর পুরোটাই নগদ অর্থ। তাঁর কোনো গাড়ি ও ইলেকট্রনিক পণ্য নেই। কোনো স্থাবর সম্পদও নেই। তবে আয়কর রিটার্নে ৩৩ লাখ ১০ হাজার ৫১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৫১ বছর বয়সী এনসিপির প্রার্থী তারেক আহম্মেদ আদেল বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে বছরে ভাড়া পান ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮৫২ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় করেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫০ টাকা।
ভাড়া পান প্রায় ৩৮ লাখ টাকা
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৫১ বছর বয়সী এনসিপির প্রার্থী তারেক আহম্মেদ আদেল বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে বছরে ভাড়া পান ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮৫২ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় করেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫০ টাকা।
আদেলের অস্থাবর সম্পদ আছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ১২ হাজার ৯৬ টাকার। এর মধ্যে নগদ আছে ৫৯ লাখ ৬ হাজার ৯৫৮ টাকা, ব্যাংকে জমা ৩৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৬৪ টাকা। হলফনামায় স্থাবর সম্পদের ঘরে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি। সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ১৪৮ টাকা আয়ের বিপরীতে ৮ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৯ টাকা কর দিয়েছেন। আর সম্পদ দেখিয়েছেন ৩ কোটি ৯১ লাখ ৫৩ হাজার ৭২২ টাকার।
পাটওয়ারীর কাছে নগদ ২৫ লাখ টাকা আছে
ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নিজের নামে অস্থাবর সম্পদ আছে ৩৬ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮৮ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। এর বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪০ লাখ টাকা। তাঁর কাছে নগদ আছে ২৫ লাখ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১৭ হাজার ৯৮৭ টাকা।
পাটওয়ারীর কাছে গয়না আছে ১০ লাখ টাকার। এ ছাড়া ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাব আছে তাঁর।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর স্ত্রী ফাহিমা রহমান একজন গৃহিণী। তাঁর নামে অস্থাবর সম্পদ আছে ২৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য), যার বর্তমান মূল্য ২৫ লাখ টাকার। ফাহিমা রহমানের কাছে নগদ আছে ৫ লাখ টাকা। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। আর গয়না আছে ১২ লাখ টাকার।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, এই দম্পতির কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। নেই কোনো ঋণও। সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৩ টাকা আয়ের বিপরীতে ৫ হাজার টাকা আয়কর দিয়েছেন পাটওয়ারী। সম্পদ দেখিয়েছেন ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার।
অন্যদিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য (অর্জনকালীন) ২৬ লাখ ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা। বর্তমানে এই সম্পদের আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ টাকা বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে তাঁর কাছে নগদ আছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর নামে জমা আছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা। এর বাইরে তাঁর কাছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার গয়না, ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য এবং ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার আসবাব রয়েছে।
দেশের বাইরে থেকে আয়
হলফনামা অনুযায়ী, ঢাকা-১৯ আসনের এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুলের দেশে কোনো আয় নেই। দেশের বাইরে তাঁর বার্ষিক আয় ২২ লাখ টাকা। এই টাকা তিনি আয় করেন চাকরি থেকে। ১০ লাখ ৩ হাজার ৭৫৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে তাঁর। এর মধ্যে নগদ আছে ৯ লাখ ১৮ হাজার ৭৫৫ টাকা। ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের (৭০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার) বিদেশি মুদ্রা আছে তাঁর কাছে।
এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুলের স্বামী সামিউল একরাম দেশে চাকরি করেন। তাঁর বার্ষিক আয় ২০ লাখ টাকা। তবে স্বামীর নামে কোনো অস্থাবর সম্পদের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি তিনি। নিজের ও স্বামীর নামে কোনো স্থাবর সম্পদের কথাও তিনি উল্লেখ করেননি। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁদের কোনো বাড়ি-গাড়ি ও ইলেকট্রনিক পণ্য নেই। নেই কোনো ঋণ বা দায়ও।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাবিলা তাসনিদের কাছে ৪০ ভরি সোনা রয়েছে। এর বাইরে তাঁর অস্থাবর সম্পদ আছে ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৭৭ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। এই সম্পদের বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৭ টাকা।
প্রার্থীর কাছে ৪০ ভরি সোনা
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাবিলা তাসনিদের কাছে ৪০ ভরি সোনা রয়েছে। এর বাইরে তাঁর অস্থাবর সম্পদ আছে ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৭৭ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। এই সম্পদের বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৭ টাকা। তাঁর স্বামী মো. ইমদাদুল হকের নামে অস্থাবর সম্পদ আছে ১৫ লাখ ২০ হাজার ৭৬১ টাকার, যার বর্তমান মূল্য ২৬ লাখ ৪১ হাজার ৭৬১ টাকা।
নাবিলা তাসনিদের নামে স্থাবর সম্পদ আছে ২ কোটি ৯৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। এর বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে কৃষিজমি আছে ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকার। নাবিলার স্বামীর নামে স্থাবর সম্পদ আছে ৪৭ লাখ ২১ হাজার ৫০৫ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। এর বর্তমান মূল্য ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে ৩৫ লাখ ৫ হাজার ১৭৫ টাকা আয় দেখিয়েছেন নাবিলা তাসনিদ। এর বিপরীতে ৪ লাখ ৯২ হাজার ১৮৫ টাকা কর দিয়েছেন। রিটার্নে তিনি সম্পদ দেখিয়েছেন ১ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার ৬৪ টাকার। আয়কর রিটার্নে স্বামীর নামে আয় দেখিয়েছেন ১৫ লাখ ২০ হাজার ৯৮৮ টাকা, সম্পদ দেখিয়েছেন ৬৭ লাখ ১০ হাজার ৭৩২ টাকার।
ঢাকা-৯ আসনে এনসিপির প্রার্থী জাবেদ রাসিনের ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার (অর্জনকালীন মূল্য) অস্থাবর সম্পদ আছে। এর বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তাঁর কাছে ১০ ভরি সোনাও আছে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী আরিফুলের যে হলফনামা দেখা যাচ্ছে, তা অসম্পূর্ণ (হলফনামার পুরোটা ওয়েবসাইটে নেই)। তবে ওয়েবসাইটে থাকা ব্যক্তিগত সম্পদ বিবরণীতে আরিফুলের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা। সেখানে নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা টাকা, গয়না ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে ৪০ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।