
আফসোস, প্রিয় মাতৃভূমিতে এমন এক সময় গেছে মুখের দাড়ি রাখলে কোন ছাত্র ভালো সাবজেক্টে চান্স পাই নাই, মুখের দাড়ি রাখলে কোন অফিসার দাড়ি টুপি রাখলে আর প্রমোশন হয় নাই। মাদ্রাসায় পড়েছে ব্যাকগ্রাউন্ড এর জন্য তাকে যে মাদ্রাসা থেকে আলেম পাস ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স পাস করেছে তাকে জয়েন্ট সেক্রেটারি থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে। আমার এক বন্ধু আমরা একসাথে মাদ্রাসায় পড়েছি আমার একটু জুনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি থেকে তাকে বিদায় দিয়েছে কারণ মাদ্রাসা সার্টিফিকেট ছিল। পরে আমরা এদিন সরকারিভাবে তাকে এডিশনাল সেক্রেটারি বানিয়ে সম্মানিত করেছি। ও আমারে বলছে যে আমার বন্ধুরা তো সচিব হয়ে গেছে। এটা একটা কোয়াইট ডিস্ক্রিমিনেশন।
বহুমাত্রিক একটা রাষ্ট্রের এই বৈষম্য চলবে না। একটা হিন্দু ছাত্র যদি পৈতা পড়ে আসে একটা ব্রাহ্মণ অথবা একটা বৌদ্ধ স্টুডেন্ট বুদ্ধ ভিক্ষু ইন্টারভিউ দিতে আসে সে যদি যোগ্য হয় আমরা কেন তাকে বাদ দিব। যারা বাদ দিতে চায় তারা সাম্প্রদায়িক। আমি যেহেতু সরকারি সরকারি দায়িত্বে আছি অনেক কথা বলতে পারব না, দুঃখ আছে মনের ভিতর। খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নামাজের স্থান নেই। ৯০% মুসলমানের দেশে এত বড় একটা বড় বিল্ডিং এখানে প্রেয়ার রুম রাখা হয় নাই। আমরা নামাজ পড়ি দরজার সামনে এটা দুঃখজনক।