কুড়িগ্রামের রাজারহাটে জাহিদুল ইসলাম জিন্নাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি লিয়াকত হোসেন লিমনকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। জিন্নাত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।
তাকে গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৩। আজ রবিবার তাকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে। এসব আজ নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজারহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমান।
তিনি জানালেন, হত্যা মামলায় ২৮ আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত প্রধান আসামিসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. সাকিব (১৮) বলেছেন, ‘আমার বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের ডাংঘাট গ্রামের জয়নাল হোসেন গোষ্ঠী ও জাহেদুল ইসলাম জিন্নাত গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে চলছিল বিরোধ। গত ১৪ জুলাই জিন্নাত নিজ জমিতে ট্রাক্টর নিয়ে চাষ করতে গেলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জয়নালের ছেলে লিমন বল্লম দিয়ে জিন্নাতের বুকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাই জয়নাল আবেদীন ২৮ জনকে আসামি করে রাজারহাট থানায় পরে হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন— জয়নাল হক (৪৪), রওশন (৪২), গরিবুল্লাহ (৪৫), রেজাউল করিম (২২), রিয়াদ আলী (১৯), গওসুল (৭০), নাইমুল ইসলাম নয়ন (১৮), জিন্না বেগম (৬০), নুরবানু (৩৮), লিপি বেগম (৩৭), হেলেনা বেগম (৩৭), আনোয়ারা বেগম (২৮), আশফিকা আক্তার (১৯) এবং আশা মনি (২০) ।