Image description

গত ২৩ মে ২০২৬, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বিডিনিউজ, ডেইলি সান এবং লন্ডনভিত্তিক বাংলা মিররে একটি খবর প্রকাশিত হয়, যেখানে দাবি করা হয়, যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্ম “Protect Bangladesh” আয়োজিত এক সংলাপে ব্রিটিশ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ‘গণমাধ্যম দমন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাসহ গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছেন।

সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনাম এখানে দেয়া হল:

বিডিনিউজ: “লন্ডনে বাবু-রুপাসহ গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি”

দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস: “London dialogue condemns Yunus govt for ‘press crackdown’”

ডেইলি সানবাংলা মিরর: “UK journalists, rights defenders call for release of detained Bangladeshi journalists”

সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, এসব প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্ম ‘প্রটেক্ট বাংলাদেশ’ এর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিই প্রায় হুবহু প্রকাশ করা হয়েছে। 

সংবাদ প্রতিবেদন এবং ‘প্রটেক্ট বাংলাদেশ’ এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে এটিকে “মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা” শীর্ষক একটি স্বাধীন সংলাপ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, দ্য ডিসেন্টের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ‘প্রটেক্ট বাংলাদেশ’ কোনো স্বাধীন বা নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্ল্যাটফর্ম নয়; বরং এর নেপথ্যে সক্রিয় রয়েছেন আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট প্রবাসী রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশের পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী এবং দলটির সমর্থক ব্যক্তিরা, যারা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করে বিদেশি সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক মহলের সামনে ঘটনাগুলো উপস্থাপন করছেন। 

 

মূল বক্তা ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যারা

 

সংলাপে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ ব্রিটিশ সাংবাদিক ও কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (সিজেএ) প্রতিনিধি উইলিয়াম হর্সলি, সিজেএ (যুক্তরাজ্য)-এর নির্বাহী সদস্য ও বিবিসি সাউথ এশিয়ার সাবেক প্রধান রীতা পাইন, আইনি বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার তানিয়া আমির, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সিজেএ সদস্য সৈয়দ বদরুল আহসান এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক বাংলা সংবাদপত্র ‘জনমত’-এর সম্পাদক ও সিজেএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহাস পাশা। এছাড়া নিউ ইয়র্ক থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে বক্তব্য দেন গ্রেপ্তার সাংবাদিক শ্যামল দত্তের মেয়ে সুষমা শশী দত্ত।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লন্ডন-বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকরামুল হোসাইন। সংলাপটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার আশেকুন নবী চৌধুরী। আর সমাপনী বক্তব্য দেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও ‘প্রটেক্ট বাংলাদেশ’-এর প্রধান উপদেষ্টা শফিকুর রহমান চৌধুরী। 

এছাড়াও আয়োজকদের প্রকাশিত অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় প্রবাসী রাজনৈতিক কর্মী, কমিউনিটি সংগঠক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিসহ আরও কয়েকজনের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে।

 

বক্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল

দ্য ডিসেন্টের অনুসন্ধানে দেখা যায়, সংলাপের মূল বক্তা, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশের সঙ্গেই আওয়ামী লীগ, বিগত সরকার বা দলটির ঘনিষ্ঠ প্রবাসী নেটওয়ার্কের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে প্রকাশিত সংবাদগুলোতে তাদের এসব রাজনৈতিক পরিচয়ের অধিকাংশই উল্লেখ করা হয়নি।

সংলাপের সমাপনী বক্তব্য দেওয়া শফিকুর রহমান চৌধুরীকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শুধু “সাবেক মন্ত্রী” ও ‘প্রটেক্ট বাংলাদেশ’এর “প্রধান উপদেষ্টা” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি শেখ হাসিনা সরকারের সর্বশেষ মন্ত্রিসভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ও এবং সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

একইভাবে নিউ ইয়র্ক থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়া ফরিদা ইয়াসমিনকে “জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি” হিসেবে পরিচয় দেওয়া হলেও, তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পন।

 

 

সংলাপের সঞ্চালক আশেকুন নবী চৌধুরীকে “বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার” বলা হলেও, লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এই পদটি রাজনৈতিক নিয়োগের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওই দায়িত্বে ছিলেন।

শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রকাশিত ‘Sheikh Hasina: The Essence of Her World’ শিরোনামের একটি বইয়ের লেখকও তিনি। ২০২১ সালে লন্ডনের ক্লারিজেস হোটেলে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে আশেকুন নবী চৌধুরীকে তখনকার ‘বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

 

আইনি বিশ্লেষক হিসেবে বক্তব্য দেওয়া ব্যারিস্টার তানিয়া আমিরও দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আলোচিত একাধিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক মামলায় তিনি সরকারের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি কুষ্টিয়া-৪ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। 

এছাড়াও ২৮ মার্চ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রচারিত “কেমন আছে বাংলাদেশ? এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম আবার ৭১-এর” শীর্ষক একটি অনলাইন আলোচনায় ব্যারিস্টার তানিয়া আমীরকে আলোচক হিসেবে দেখা যায়।

 

 

 

সংলাপের অন্যতম বক্তা সৈয়দ বদরুল আহসান ১৯৯৭ সালে প্রথম আওয়ামী লীগ সরকারের সময় লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার ছিলেন। পরবর্তী সময়েও তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে নিয়মিত কলাম ও মতামত লিখে আসছেন।

এছাড়াও আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রচারিত বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনাতেও তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে। ৭ মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের প্রচারিত “কেমন আছে বাংলাদেশ? এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম আবার ৭১-এর” শীর্ষক এক লাইভ আলোচনায় তিনি নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে আলোচক হিসেবে অংশ নেন।

 

 

অস্ট্রেলিয়া থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়া সুষমা শশী দত্তের পিতা শ্যামল দত্তও আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং শেখ হাসিনা সরকারের ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের একজন হিসেবে বিবেচিত হতেন। 

আয়োজকদের প্রকাশিত অংশগ্রহণকারীদের তালিকাতেও আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট প্রবাসী নেটওয়ার্কের উপস্থিতি দেখা যায়।
নিউ ডন ইনিশিয়েটিভের (এনডিআই) প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ হরমুজ আলী বাস্তবে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে তাকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

 

 

ব্যারিস্টার মাসুদ আক্তারকে এনডিআই এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখানো হলেও তিনি নিয়মিতই পলাতক শেখ হাসিনার পক্ষে ফেসবুকে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। একটি ভিডিওতে তাকে শেখ হাসিনার কর্মী বলে দাবি করতে দেখা গেছে।

সনাতন অ্যাসোসিয়েশন ইউকের সেক্রেটারি হিসেবে উপস্থিত থাকা রবিন পালও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের জনসংযোগ সম্পাদক ছিলেন। 

এছাড়াও সৈয়দ এনাম ও আনসার আহমেদ উল্লাহকে কমিউনিটি লিডার ও সাংবাদিক বলা হলেও, তারা মূলত ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ যুক্তরাজ্য শাখার শীর্ষ নেতা, যে সংগঠনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সহযোগী হিসেবে কাজ করে।

এএসএম মিসবাহকে সংলাপে শুধু ‘ব্যবসায়ী’ পরিচয়ে উপস্থাপন করা হলেও, তিনি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০২৫ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে আয়োজিত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সমাবেশেও বক্তব্য দিয়েছেন।”

সারোয়ার কবিরকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ‘জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক’ বা ‘প্রবাসী সাংবাদিক’ পরিচয়ে উপস্থাপন করা হলেও, তিনি যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘শোকাবহ আগস্ট’ উপলক্ষে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের মাসব্যাপী কর্মসূচির এক প্রতিবেদনে তাকে ‘যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিদেশি সাংবাদিকদের উপস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন

এই আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ব্রিটিশ সাংবাদিকদের উপস্থিতি। প্রবীণ ব্রিটিশ সাংবাদিক উইলিয়াম হর্সলি এবং রীতা পাইনকে এই সংলাপে মূল আলোচক হিসেবে নিয়ে আসা হয়। তাদের সামনে গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে থাকা জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি অভিযোগগুলো তুলে ধরা হয়নি।

ফৌজদারি অপরাধের বিষয়টিকে আড়াল করে বিদেশি সাংবাদিকদের বোঝানো হয় যে, এটি "রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত" এবং "গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ"। অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া ব্রিটিশ সাংবাদিকদের এই বক্তব্যগুলোকেই পরবর্তীতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে দেশের গণমাধ্যমে পাঠানো হয়, যাতে মনে হয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বর্তমান সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ।

সাংবাদিকদের মামলা নিয়ে কী বলেছে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশে পতিত শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কিছু মামলা, দীর্ঘ প্রি-ট্রায়াল আটক এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম আইজেনেট (IJNet) ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (RSF), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টসের (CPJ) বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানায়, সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত প্রায় ১৪০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়, যাদের অনেকেই “ভিত্তিহীন” মামলার মুখোমুখি হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। 

২০২৬ সালের এপ্রিলে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (CPJ) বাংলাদেশের আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে ফারজানা রূপা, মোজাম্মেল হক বাবু, শাকিল আহমেদ ও শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তির আহ্বান জানায়। সংগঠনটি দাবি করে, দীর্ঘ সময় পার হলেও এসব মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়নি। 

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও এক বিবৃতিতে একাত্তর টেলিভিশনের ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা অভিযোগের সমালোচনা করে। সংগঠনটি বলেছে, সাংবাদিকতার কাজের জন্য সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে “ক্রাইমস এগেইনস্ট হিউম্যানিটি” ধরনের অভিযোগ আনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য “বিপজ্জনক নজির” তৈরি করতে পারে।