রমজান আলী নামে এক রিপোর্টার কাজ করতো নাইমুল ইসলাম খানের আমাদের অর্থনীতি নামের পত্রিকায়। তো একদিন কি একটা নিউজ নিয়ে নাইমুল ইসলাম খান রমজানকে অফিসের ভিতর চড় মারে। চড় খেয়ে রমজান আমাকে ও তাসকিনাকে জানায়। আমি তাৎক্ষণিক নাইমুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেই সাংবাদিক নির্যাতনকারী আখ্যা দিয়ে। সেই পোস্টের কারণে আমি চিরতরে হয়ে গেলাম নাইম ভাইয়ের শত্রু। ৫ অগাস্টের আগে নাইমুল ইসলাম খানের শত্রু হওয়া যেনতেন কথা নয়। সমস্ত সেমিনার, প্রশিক্ষণ সবকিছু থেকে হয়ে যাই বঞ্চিত। একটি সরকারী সংস্থায় আমার বড় পদে নিয়োগ পাওয়ার কথা ছিলো সেটাও বাতিল হয়ে যায় রমজান ইস্যূতে। Taskina Yeasmin তোমার কি মনে আছে রমজান আলী চড় খাওয়ার পর তুমি আর আমি কি যুদ্ধটাই না করেছিলাম? তুমি, মিনু আপা, খায়রুজ্জামান কামাল ভাই ও সেলিম সামাদ ভাইসহ বেশ কিছু সাংবাদিক নিয়ে রমজানের বিষয়ে ডিআরইউ এর সামনে মানববন্ধন করেছিলে। আর সেই নিউজ আমি আমার অনলাইন লালসবুজের কথা ডটকমে ছেপেছিলাম। সেইসাথে টানা যুদ্ধ চালিয়েছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে। তখন কোথায় ছিলো রমজানের বন্ধু ইমন, সাজেদা ও মেঘ-নাবালিকা?
পরবর্তীতে রমজান আমাকে অনুরোধ করতে থাকলো ইমনকে জেল থেকে বার করে আনেন আপা। আমরা দায়িত্ব নিবো সে আর কোনো দিন আপনার বিষয়ে বাজে কিছু লেখার সাহস পাবেনা। যাইহোক ৩০০ টাকার স্টাম্পে মুচলেখা নিয়ে ছাড়িয়ে আনলাম নারি নিপীড়নকারীটাকে। সেই স্ট্যাম্পে সই করলো তৎকালীন ৮ শীর্ষ সাংবাদিক নেতা। ছাড়া পেয়ে ৩ মাস যেতে না যেতেই আবার শুরু করলো পদ্ম রচনা। এই পর্যন্ত আমাকে নিয়ে যত নোংরা কথা ইমন লিখেছে সব কয়টা পোস্টে উস্কানিমূলক কথা লিখে যাচ্ছে সেই রমজান।রমজান আমার নাম রেখেছে লাল- বদর। নারে ভাই আমি রং বদলাই না তোমাদের মতো। আমি আগে যেমন মানুষের উপকার করে করে ল্যাং খেযেছি স্টিল খাচ্ছি।
নাসিমা আখতার সোমা