জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এনসিপি নেত্রী মাহমুদা মিতু। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জোটের রাজনৈতিক অঙ্গীকার রক্ষার জন্য জামায়াতে ইসলামিকে ধন্যবাদ জানান।
মাহমুদা মিতু বলেন, ‘পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের জায়গাটা ঠিক রাখায় জামায়াত ইসলামকে ধন্যবাদ। আমরা আজকে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি শুধুমাত্র জুলাইয়ের কারণে। আমি এনসিপি থেকে জোটের মনোনীত প্রার্থী। তো সেক্ষেত্রে আমি শুরুতে এনসিপিকে ধন্যবাদ জানাই। আমার দলের আহ্বায়ক এবং যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সিদ্ধান্তের সাথে যারা আছেন তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাকে এযোগ্য মনে করেছেন এবং তারা দল থেকে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটা জোট আসলে একটা কমিটমেন্ট। সেটা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে আমরা একসাথে কাজ করব। এটাই আমাদের কমিটমেন্ট ছিল জনকল্যাণের স্বার্থে। অনেক বড় বড় পার্টি আছে তারাও জোট করেছেন কিন্তু তারা কিন্তু তাদের পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট বা জোটের প্রার্থীদেরকে অনেক বেশি সিট থাকার পরেও তারা কিন্তু জোটের প্রার্থীদেরকে ওইভাবে সম্মান করেননি। তো এই জায়গা থেকে আমি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামকে ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি বলেন, ‘জামায়াত ইসলাম পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের জায়গা ঠিক রেখেছেন পাশাপাশি আমরা আজকে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি শুধুমাত্র জুলাইয়ের কারণে । জামাতে ইসলামী এবং জোটের পক্ষ থেকে আমাদের সিন্ধান্ত ছিল আমরা একজন শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিত্ব নিব। সেখান থেকে আমাদের সাথে শহীদ পরিবারের একজন প্রতিনিধি আছেন, একজন মা আছেন শহীদ জাবিরের মা আছেন। এটাও অনেক বড় একটা বিষয়। যেই জুলাইয়ের উপর দাঁড়িয়ে আমরা আজকে এইখানে দাঁড়িয়ে আছি। সেই জুলাইয়ের একজন শহীদের মা আমাদের সাথে আছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সাথে যেসব আপারা আছেন উনারা খুবই কোয়ালিটি সম্পন্ন, উনারা অনেক অভিজ্ঞ এবং রাজনৈতিকভাবে এনারা আমাদের থেকে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। আমি আশা করি এই যে জোটের যে নারীদের পথ চলা এটা খুবই সুন্দর হবে। আমরা নারীদের সামাজিক সুরক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে যে ভূমিকা রাখা দরকার—এগুলো আমরা ইনশাআল্লাহ একসাথে, জনকল্যাণের স্বার্থে আমরা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’