প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ভাষা ব্যবহারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এ নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য দিয়েছেন। এ ধরনের ‘অশ্রাব্য’ ভাষা ও ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য শুধু জাতীয় নেতাদের অবমাননাই নয়, বরং দেশের সুস্থ রাজনৈতিক ধারার ওপরও আঘাত।
তারা বলেন, অবিলম্বে রাশেদ প্রধানকে তার কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন বক্তব্যের জন্য জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে শালীনতা বজায় রাখতে হবে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ করা সুস্থ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ নয়। এ ধরনের আচরণ রাজনৈতিক পরিবেশকে বিষাক্ত করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দেয়।
ইউট্যাবের নেতারা বলেন, তারেক রহমান দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার প্রতি কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য লজ্জাজনক। বাকস্বাধীনতার নামে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অপমান করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রাশেদ প্রধানের এ ধরনের আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা সম্ভব নয়।
নেতারা আরো বলেন, অবিলম্বে এ ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের জন্য রাশেদ প্রধানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় সচেতন জনগণ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি এর জবাব দেবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানান তারা।
ইউট্যাব নেতারা মনে করেন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার রাজনীতি ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।