যশোরের মনিরামপুরে ছাত্রদল নেতা ফিরোজ হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তাকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে তিনি মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি। এ ঘটনায় মনিরামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
ফিরোজ হোসেন মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ঝাপায় ভাসমান সেতু এলাকায় চটপটি দোকানদার মনার নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল অতর্কিত ফিরোজ হোসেনের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে মোশাররফ ও মনাসহ ১০/১২ জন অংশ নেয়। তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে ফিরোজ হোসেনকে গুরুতর জখম করে।
এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন- রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুজ্জামান পিয়াল, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অতনু পারভেজ আপন, ৯নং ঝাঁপা ইউনিয়ন ছাত্রদলের কার্যনির্বাহী সদস্য মুজাহিদ, যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রনেতা তৌসিফ, যুবায়ের, যশোর এমএম কলেজ ছাত্রনেতা সাব্বির। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। ফিরোজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, ফিরোজ হোসেনের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং ক্ষতস্থানে সেলাই দিতে হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন মোবাইলে কালবেলাকে বলেন, আমি নামাজ পড়ে বেরিয়ে দেখি হট্টগোল হচ্ছে। গিয়ে শুনি পুরোনো শত্রুতার জেরে কথা কাটাকাটি হচ্ছে। এ সময় ফিরোজকে আটকে রাখে স্থানীয়রা। আমি ফিরোজকে চিনতে পেরে তার কাছে জানতে চাই- কেন এসেছে সে এখানে। পরে হুট করে স্থানীয়রা ফিরোজকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে। আমি এ মারধরের সঙ্গে জড়িত না।
এ বিষয়ে জানতে আরেক অভিযুক্ত মনাকে তার মোবাইল নম্বরে কল দিলে সেটি বন্ধ দেখায়।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজি উল্লাহ খান কালবেলাকে বলেন, এ ঘটনার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।