প্রণয় ভার্মা বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। আমরা এটি এগিয়ে নেয়ার উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি
উচ্চাকাঙ্ক্ষী অর্থনীতি হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমি নতুন সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়ার এবং আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং সব ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও দূরদর্শী উপায়ে একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে শক্তিশালী করার সদিচ্ছা প্রকাশ করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। আমরা এটি এগিয়ে নেয়ার উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। কীভাবে দুই দেশের বিভিন্ন খাতে ব্যবসায়ীদের একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হওয়া সহজতর করতে পারি। কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারি যাতে আমাদের ভৌগোলিক ঘনিষ্ঠতা এবং দুই দেশের মধ্যকার নৈকট্যকে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরিত করা যায়।’
‘আমরা ও বাংলাদেশ উভয়েই এ অঞ্চলের বৃহত্তম অর্থনীতি’ উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘দুটোই অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী অর্থনীতি। তাই আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। আমাদের ভবিষ্যৎ সহযোগিতাকে নিজ নিজ জাতীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আরো দূরদর্শী ও ভবিষ্যৎমুখী করে এবং আমাদের অর্জনগুলোকে ব্যবহার করে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে পরিচালিত করার সুযোগ রয়েছে। যাতে করে আমরা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে পারি এবং আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গভীরতর করতে পারি।’
অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, বন্দর বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘আমাদের কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনা হয়নি। তবে অবশ্যই এ সবই আমাদের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক আলোচনার অংশ। আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য স্থলবন্দর গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া নতুন অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে নতুন প্রেক্ষাপটে কীভাবে আমরা অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। আমাদের কী ধরনের কৌশল থাকা উচিত, অবশ্যই তা দুই পক্ষের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিস্তারিত আলোচনা করা উচিত। আমাদের অত্যন্ত মৌলিক আলোচনা হয়েছে। তবে উদ্দেশ্য হলো আমাদের ব্যবসা, অর্থনীতি এবং বিনিয়োগের উন্নয়নে নিবিড়ভাবে কাজ করার সদিচ্ছা জানানো।’