Image description
আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতি ফের আলোচনায়। আসামিপক্ষের জেরার মুখোমুখি হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নিহত আইনজীবীর পিতা ও মামলার বাদী জামাল উদ্দিন। তবুও তিনি আদালত কক্ষে উপস্থিত থেকে জেরার উত্তর দেন।

বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ শুনানি হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ৯ মার্চ নির্ধারণ করেছে আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, গতকাল আসামিপক্ষের জেরার জন্য দিন ধার্য ছিল। বাদী ৭৬ বছর বয়সি জামাল উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে জেরার সম্মুখীন হন। একপর্যায়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে তিনি চেয়ারে বসেই জবাব দিতে থাকেন।

শুনানিকালে আসামি চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য পুনরায় সময়ের আবেদন করেন, যা আদালত মঞ্জুর করে। অন্যদিকে আসামি দুর্লভ দাশ ও রুমিত দাশের পক্ষে আইনজীবী কেপি শর্মা জেরা সম্পন্ন করেন। স্বীকারোক্তি প্রদানকারী আসামি রাজীব ভট্টাচার্য আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজেই বাদীকে জেরা করেন। পরে অন্য আসামিদের পক্ষ থেকেও সময়ের আবেদন জানানো হলে আদালত তা মঞ্জুর করে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ৯ মার্চ নির্ধারণ করে।

শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করা হলেও আসামিপক্ষ বারবার সময় নেওয়ায় মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। তিনি জানান, বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ শরীর নিয়ে বাদী আদালতে এসে সাক্ষ্য দিচ্ছেনÑএটি বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্ব ও পারিবারিক প্রত্যাশার প্রতিফলন।
এদিন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ছাড়া অন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। তাকে জেলহাজত থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল।

গত ২ ফেব্রুয়ারি বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যপর্ব শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিটে ৫০ সাক্ষীর তালিকা দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী শুনানিতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা কার্যক্রম আরো এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।