Image description

সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বাদ রাখে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যের  শপথের বিষয়টি।

এরপরই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। স্ট্যাটাসে তিনি সংষ্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিএনপি শপথ না নেওয়ার বিষয়ে আইনি অবস্থান স্পষ্ট করতে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা তুলে ধরেন।

তিনি লিখেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ সাহেবের বক্তব্য শুনলাম। ঐক্যমত্য কমিশনেও অনেক বক্তব্য শুনেছি। তিনি আমার আইন বিভাগের বড় ভাই। সেজন্য মিটিংয়ের বাহিরেও অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আজকে আমার ভাই ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গেলেন। দেখুন এই বিষয়ে আইন কি বলে?’

‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ আইনের ৯ নম্বর ধারার ‘শপথ এবং শপথ পাঠ পরিচালনা’ সংক্রান্ত ওই আইনে বলা হয়, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংসদ-সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণের পর একই শপথ অনুষ্ঠানে এই আদেশের তফসিল-২ অনুযায়ী পরিষদ-সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ” বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষনাপত্রে স্বাক্ষর দান করিবেন।’

২ নং অংশে বলা হয়, ‘সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের ক্ষেত্রে যিনি শপথ-পাঠ পরিচালনা করিবেন তিনিই এই আদেশের তফসিল-২ এ বিধৃত ফরমে পরিষদ-সদস্যদের শপথ-পাঠ পরিচালনা করিবেন।’

যদিও বিএনপি থেকে নির্বাচিত কক্সবাজার–১ আসনের এমপি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ফরম থাকলেও আমরা (বিএনপি) কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। এছাড়া সংবিধানে এটা এখনও ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের কে শপথ নেওয়াবেন, সেটা বিধান করতে হবে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিধান সংবিধানে নেই। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলছি, সামনের দিনেও চলব।‘