Image description

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার রেশ না কাটতেই ভোলাহাট উপজেলায় এবার মোবাইল চার্জার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লেগে ৪টি বাড়ি পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপেজেলার পোলাডাঙ্গা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

 

ভোলাহাট ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পোলাডাঙ্গা এলাকার জিয়াউর রহমানের বাড়িতে মোবাইল ফোনে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে পাশে থাকা শুকনো কাপড় থেকে আগুন দ্রুত পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় পার্শ্ববর্তী আরও তিনটি বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় প্রতিবেশীরা প্রথমে দূর থেকে পানি ঢেলে নেভানোর চেষ্টা করেন। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ভোলাহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

এদিকে অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তোভোগী পরিবারের সদস্যরা।

 

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মাস্টার কৃষ্ণ প্রসাদ তলাপাত্র এশিয়া পোস্টকে বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা চার্জার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে চারটি পরিবারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

 

এর আগে, শনিবার ভোরে চরবাগডাঙ্গার ফাটাপাড়া এলাকায় কালামের বাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এ সময় সময় হঠাৎ বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই সদর উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের ওপর ধুমিহায়াতপুর এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে আলামিন (২০) ও শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের মনিরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৭) মারা যান। এ ছাড়া বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হওয়া বজলুর রহমান, মিনহাজ ও শুভ বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত বজলুর রহমান ও মিনহাজ হলো ককটেল তৈরির মূলহোতা দুলালের চাচা ও ভাতিজা।