Image description

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে সে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী হয়েছে। তাই দেশে গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে ৩১ দফা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আলাদা সংস্কার কমিশন করে সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে বিএনপি।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের রয়েল প্যালেস কমিউনিটি সেন্টারে সালাহউদ্দিন আহমদ মিডিয়া সেল আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে 'মিট দ্য প্রেস উইথ সালাহউদ্দিন আহমদ' অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। 

সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বিএনপির ইশতেহারেও উল্লেখ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একটি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠিত হয়েছে, সেই সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলোও বিএনপি পর্যালোচনা করবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যমের লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও দেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করা। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উম্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল ১৯৯১ সাল থেকে বেগম জিয়ার হাত ধরে। তখন থেকে দেশে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ধারা অবারিত হয়েছে। গণমাধ্যমের জন্য অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং গণমাধ্যম বিকশিত হয়েছিল।

কিন্তু বিগত ১৭ বছরে এদেশের গণমাধ্যম দলীয়করণ হয়েছিল। এ কারণে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হোঁচট খেয়েছিল। 

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে এখন তথ্য আদান-প্রদান সহজ হয়েছে যা মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী। সুতরাং সবাইকে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে করে দেশের সম্মান সারা বিশ্বে সমুন্নত রাখা যায়। আমি যেটা সাংবাদিক বন্ধুদের সমাবেশ কিংবা গণমাধ্যমের মালিকদের সমাবেশে বলে থাকি সেটা হলো, সাংবাদিক বন্ধুগণ যেন মালিকের চাকরি না করে বিবেকের চাকরি করেন।

অনুষ্ঠানে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহাবুব-উর রহমানসহ চকরিয়া ও পেকুয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।