স্বাধীন বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিস সংস্কারে অনেকবার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন নাম ও কাঠামোয় গঠিত কমিটি এক্ষেত্রে কাজ করেছে। ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলো কমিশন ও টাস্কফোর্স গঠন করে সেবার মান, নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতি, বেতন কাঠামোসহ প্রশাসন সংস্কারের চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন আমলে গঠিত এসব কমিটির সুপারিশের বড় অংশ বাস্তবায়ন হয়নি। শুধু বেতন কাঠামো বাস্তবায়নই নিয়মিতভাবে হয়েছে। যদিও এতে সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতির প্রবণতা কমেনি বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এখন পর্যন্ত আটটি বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সর্বশেষ নবম কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করলেও সেটি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেতন বাড়ানোর সঙ্গে দুর্নীতি কমার সরাসরি সম্পর্ক নেই। ২০১৩ সালে গঠিত বেতন কমিশনের সুপারিশে ২০১৫ সালে যখন নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হয়, তখন সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ২০০৯ সালের স্কেল থেকে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। সে সময় বলা হচ্ছিল এবার বেতন বাড়ার ফলে দুর্নীতি কমবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি কমার কোনো জোরদার লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় অনেক সরকারি কর্মচারীর নাম উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দুর্নীতির ১৫৩টি মামলায় ৪৭৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ১৪৪ জন ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। ২০২৪ সালে দুদক ৩৪৬ জন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ২০২৩ সালে সরকারি কর্মকর্তা অভিযুক্ত হয়েছিলেন ১২০ জন।
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন করা অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনেও সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে। শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে ঘুসের টাকার মধ্যে ৭৭ হাজার থেকে ৯৮ হাজার কোটি টাকা গেছে আমলাদের কাছে। শ্বেতপত্রে আরো বলা হয়, টাকা পাচারের জন্য দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আর্থিক খাতের ক্রীড়নক, আমলাদের মধ্যে একধরনের অনৈতিক চক্র গড়ে ওঠে। কমিটি তিন মাসের অনুসন্ধান শেষে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সার্বিকভাবে দুর্নীতির শিকার ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার এবং ঘুসের শিকার ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ। সে বছর জাতীয় পর্যায়ে প্রাক্কলিত মোট ঘুসের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। পাশাপাশি, জরিপের তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ থেকে ২০২৪ (এপ্রিল) পর্যন্ত সেবা খাতে জাতীয় পর্যায়ে মোট ঘুসের ন্যূনতম প্রাক্কলিত পরিমাণ ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৫২ কোটি টাকা।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দুর্নীতির সঙ্গে বেতন বৃদ্ধির সম্পর্ক খুব সামান্য। দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি কর্মচারীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’
বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও যথাযথভাবে সেবা প্রদান না করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সূত্র অনুযায়ী, গত বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দুদক ৪৭৭ জনের বিরুদ্ধে ১৫৩টি মামলা দায়ের করে। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন ১৪৪ জন সরকারি কর্মচারী, ১১৩ জন বেসরকারি চাকরিজীবী, ৬০ জন রাজনীতিবিদ, ৪৪ জন ব্যবসায়ী, ১১ জন জনপ্রতিনিধি ও ১০৫ জন অন্যান্য পেশাজীবী।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে সংস্থাটি ৩৪৬ জন সরকারি চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এছাড়া ১৮৭ জন বেসরকারি চাকরিজীবী, ৭১ জন ব্যবসায়ী, ৩২ জন রাজনীতিবিদ, ৩০ জন জনপ্রতিনিধি ও ২০৫ জন অন্যান্য পেশাজীবীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একইভাবে ২০২৩ সালে অভিযুক্ত ছিলেন ১২০ জন সরকারি চাকরিজীবী, ৩৩ জন বেসরকারি চাকরিজীবী, আটজন ব্যবসায়ী, দুজন রাজনীতিবিদ, ১২ জন জনপ্রতিনিধি এবং ৫০ জন অন্যান্য পেশাজীবী।
সিভিল সার্ভিস সংস্কারের লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২০টি সংস্কার কমিশন ও টাস্কফোর্স গঠিত হয়েছে। সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠিত হয় এবং সেই কমিশন ২০৮টি সুপারিশসহ সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করে। তবে সেসব সুপারিশ বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি ঘটেনি। এর মধ্যে আশু বাস্তবায়নযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল ১৮টি সুপারিশ। পরে তার মধ্য থেকে অপেক্ষাকৃত সহজে বাস্তবায়নযোগ্য আটটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র তিনটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে সিভিল সার্ভিস সংস্কারে তিনটি কমিটি গঠিত হয়েছিল। সিভিল সার্ভিস বিশেষজ্ঞদের মতে সে সময় এসব কমিটি একক, শ্রেণীহীন ও সমন্বিত গ্রেডিং কাঠামো এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও পদোন্নতির মাধ্যমে আধুনিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতা, রাষ্ট্রগঠনের প্রশ্নে মতভেদ, সরকারে দুর্নীতির বিস্তার এবং ঔপনিবেশিক ধাঁচের সুবিধা হারানোর আশঙ্কায় আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধের কারণে এসব সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি।
জিয়াউর রহমানের শাসনামলের সংস্কার উদ্যোগগুলো হলো ন্যাশনাল পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন (এনপিএসসি), মার্শাল ল কমিটি অন এক্সামিনিং অর্গানাইজেশনাল সেটআপ অব মিনিস্ট্রিজ/ডিভিশনস, ডিপার্টমেন্টস, ডিরেক্টরেটস অ্যান্ড আদার অর্গানাইজেশনস (এমএলসি-১)। পরবর্তী সময়ে সিভিল সার্ভিস সংস্কারে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলেও অনেকগুলো উদ্যোগ নেয়া হয়।
১৯৭৬ সালে গঠিত পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন মেধাভিত্তিক নীতি, বিভিন্ন ক্যাডার থেকে অভিজ্ঞদের নিয়ে নতুন শীর্ষ ক্যাডার, ক্যাডারভিত্তিক কাঠামো তৈরি এবং বেতন স্কেলের বৈচিত্র্য কমিয়ে আনার প্রস্তাব করে। ১৯৮২-৮৪ সময়ে একটি মার্শাল ল কমিটি ও একটি বেসামরিক কমিটি গঠিত হয়। তারা মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানো, সিভিল সার্ভিস ডাউনসাইজিং, সচিবালয় ও নির্বাহী সংস্থার ভূমিকা পুনর্গঠন এবং আর্থিক-প্রশাসনিক ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের সুপারিশ করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সেসব প্রস্তাব সময়োপযোগী হলেও বেশির ভাগ বাস্তবায়িত হয়নি; মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমার বদলে সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক কারণে বেড়েছে।
খালেদা জিয়ার প্রথম মেয়াদে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রি-অর্গানাইজেশন কমিটি (এআরসি), শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদে ন্যাশনাল পে কমিশন (এনপিসি-৫), পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিফর্ম কমিশন (পিএআরসি), খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মেয়াদে ন্যাশনাল পে কমিশন (এনপিসি-৬), তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদে (২০০৮) ন্যাশনাল পে কমিশন (এনপিসি-৭), নবম সংসদ নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার শাসনামলে ন্যাশনাল পে কমিশন (এনপিসি-৮) গঠিত হয়েছিল।
২০০৭-০৮ সালে ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ‘মুভিং অ্যাহেড’ কৌশলগত দলিল প্রণয়ন করে। প্রস্তাবগুলো নির্দলীয় ও দূরদর্শী হলেও বাস্তবায়ন নির্দেশনা দুর্বল ছিল বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সে সময় আকবর আলি খানের নেতৃত্বে গঠিত রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশন অনেক অকার্যকর ও সেকেলে আইন শনাক্ত করে এবং নীতিনির্ধারণে রেগুলেটরি ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট প্রস্তাব করে। সময়োপযোগী উদ্যোগ হলেও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে এ কমিশনের কার্যক্রম থেমে যায়।
সিভিল সার্ভিস সংস্কারে উদ্যোগ ও বেতন বৃদ্ধি করার পরও কেন সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় রোধ করা যায়নি এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক রেক্টর একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বেতন যতই বাড়ানো হোক, যদি সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া না হয় এবং কার্যকর তদারকি না থাকে, তাহলে দুর্নীতি কমবে না। অতীতেও শুধু বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্নীতি কমানোর কোনো সফল উদাহরণ নেই। দুর্নীতি কমাতে হলে প্রথমেই নিশ্চিত করতে হবে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততার ভিত্তিতে নিয়োগ। নিয়োগের পর পদায়ন ও পদোন্নতিতেও একই মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে। এর পাশাপাশি থাকতে হবে নিয়মিত ও কার্যকর তদারকি।’
তিনি আরো বলেন, ‘যে দুর্নীতি করবে তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে, আর যে ভালো কাজ করবে তাকে প্রণোদনা দিতে হবে। বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি যদি এসব কাঠামোগত ব্যবস্থা নেয়া হয়, তবেই দুর্নীতি কমানো সম্ভব। বেতন যতই বাড়ানো হোক, যারা দুর্নীতি করতে অভ্যস্ত তারা দুর্নীতি করবেই—যদি না জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের নিয়োগ ব্যবস্থা এখনো ত্রুটিপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রেই নিয়োগ হয় ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা, আনুগত্য বা গোষ্ঠীগত প্রভাবের ভিত্তিতে। একই চিত্র দেখা যায় পদায়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রেও। ফলে দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তারা উপেক্ষিত হন, আর এতে পুরো ব্যবস্থার ওপর আস্থা কমে যায়। সৎ মানুষকে সিস্টেমে আনা, ভালো কাজের স্বীকৃতি দেয়া এবং অনিয়মের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করাই হতে পারে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের বাস্তব ও কার্যকর পথ।
বেতন বাড়ানোর সঙ্গে দুর্নীতি কমার মধ্যে কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক সাদিক হাসান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘২০১৫ সালে যখন নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হয়, তখন সেটি ২০০৯ সালের স্কেল থেকে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। সে সময় বলা হচ্ছিল, বেতন বাড়ার ফলে দুর্নীতি কমবে। কিন্তু বাস্তবতা দেখিয়েছে, দুর্নীতি ততটা কমেনি। দুর্নীতির নানা কারণ আছে এবং এটি ঘটার পেছনে বহু কারণ দায়ী। বেতন কম শুধু একটি ফ্যাক্টর হতে পারে—কিন্তু এটি মূল কারণ নয়।’
সিভিল সার্ভিসে দুর্নীতি কমাতে করণীয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ট্রান্সপারেন্সি (স্বচ্ছতা) এবং অ্যাকাউন্টেবিলিটি (জবাবদিহিতা) নিশ্চিত করা হবে মূল চাবিকাঠি। সরকারি বা পাবলিক সার্ভিসকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহি করা গেলে দুর্নীতি কমানো সম্ভব। কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টেবল করার জন্য প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে নির্বাচিত নেতা বা রাজনৈতিক নেতৃত্বের।’
জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। সংস্কারের কথা বলা হলে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সংস্কার কার্যক্রম হয়েছে। আর দুর্নীতি শুধু সরকারি কর্মচারীরা করে এমন নয়। বেসরকারি বিভিন্ন খাতেও দুর্নীতি রয়েছে। তবে সরকারি কর্মকর্তারা যাতে দুর্নীতি করতে না পারেন, তার জন্য অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দুদককে পুনর্গঠন করা হয়েছে। আগে কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। সংবাদপত্রে বিভিন্ন সময় সরকারি অর্থে উচ্চমূল্যে জিনিসপত্র কেনার ঘটনা প্রকাশ হয়েছে। এখন এ বিষয়গুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অনেক প্রকল্পে ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে। দুর্নীতি রোধে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০২৫ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বিগত দেড় বছরে এমন অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।