Image description
 

নীলফামারী জেলা শহরে  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাকসু) ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত করার প্রতিবাদে এবং অচিরের ভোট গ্রহনের দাবি করা হয়েছে।

 

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারী) বাদ আছর নীলফামারী শহরের বাজার মসজিদ থেকে শহর ছাত্রশিবিরের পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে সমাবেশ করে। সেখানে অবিলম্বে শাকসুর ভোটগ্রহণের দাবি জানানো হয়।

শহর শাখার সভাপতি মাজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শহর সেক্রেটারী সেলিম উদ্দীনের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি নুরুল হুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা সভাপতি আহমাদ রায়হান সহ প্রমুখ।
এ কর্মসূচিতে নানা শ্লোগান দেওয়া হয়, যেমন মব করে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না ,হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না,দালালি না শাকসু, শাকসু শাকস ,টালবাহানা করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না .আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান শাকসু ব্যান, তোমার আমার অধিকার, শাকসু শাকসু ও লন্ডন না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা।দীর্ঘ ২৮ বছর পর মঙ্গলবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে আগের দিন হাই কোর্টের আদেশে সেই ভোট স্থগিত হয়ে গেছে।

 

সমাবেশে ছাত্রশিবিরের বক্তারা বলেন, “৫ অগাস্টের পরে বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসের দাবি ছিল- ছাত্র সংসদ নির্বাচন। ডাকসু, জাকসু, রাকসু, চাকসু, জকসু নির্বাচন হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবয়িত হয়েছে।” অথচ নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে পেছানো হচ্ছে শাকসু নির্বাচন। একটি দল তাদের সর্বোচ্চ নির্লজ্জতার পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।” বক্তরা বলেন , “১৯৯১ সালে রাজনীতির পটপরিবর্তন হবার পরে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সকল ছাত্র সংসদ স্থগিত করে দিয়েছিল। বিগত ৩৫ বছর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ বন্ধের জন দায়ী ছিলো বিএনপি সরকার।৫ অগাস্টের পর- তারা ক্ষমতায় আসার পূর্বেই আবার শাকসু নির্বাচন বন্ধের পাঁয়তারা করছে। বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তারা কলকাঠি নেড়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তারা ব্যর্থ হয়েছে। তারা নতুন করে শাকসু নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বক্তারা বলেন আমরা বলতে চাই, আমরা নতুন করে কোনো ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেব না।

 

বক্তারা বলেন “পাঁচটি ছাত্র সংসদে যেমন একটি ছাত্র সংগঠনকে (ছাত্রদল) শিক্ষার্থীরা চায়নি, শাকসু নিবাচনেও শিক্ষার্থীরা আপনাদের লাল কার্ড দেখিয়ে বিদায় করবে। তারা স্লোগান দেয় সবার আগে বাংলাদেশ; তবে তারা প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশের পক্ষে নয়। “বাংলাদেশে রাজনীতি করতে  চাইলে সুপথে ফিরে এসে রাজনীতি করুন। রাজনীতি যদি করতে হয়, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করুন। অবিলম্বে কর্তৃপক্ষর নিকট শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহনের দাবি করন বক্তরা।