Image description

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামী দলগুলো নির্বাচনী মাঠে একবক্স নীতি নিয়ে অগ্রসর হলেও শেষে প্রান্তে এসে জোট থেকে আলাদা হয়ে একলা চল নীতিতে বাস্তবে রুপ নিল ইসলামী আন্দোলন। যদিও এর আগে অনেক দেনদরবার ও নাটকীয়তার পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে ২৫৩ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ঐক্যবদ্ধ জোট। 

জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে ও বলা হয়েছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জন্য ৪৭টি আসন তাদের দেওয়া হবে।

তবে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এর ফলে ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনে জামায়াতে ইসলামী নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

এই ৪৭টি আসনে প্রার্থী দিলে জামায়াতে ইসলামীর মোট নির্বাচনী আসন সংখ্যা দাঁড়াবে ২২৬টি। এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসনে এককভাবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিল।

বাকি আসনগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি করে আসনে প্রার্থী দেবে।

এদিকে, জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কোনো আসনে প্রার্থী না দিলেও নির্বাচনী ঐক্যে শরিক হিসেবে থাকছে।