Image description

ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
‘স্বতন্ত্র প্রার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত এই সভায় প্রায় ৩০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশ নেন, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
সভায় ঝালকাঠি-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ রাজ্জাক আলী অভিযোগ করেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমার স্ত্রীসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে মিথ্যা বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। আমাকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে৷

গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস বলেন, ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে আমার সমর্থকদের অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন।

তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ-২ আসনে মোট ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় ছয় শতাংশ ভোটারের গোপনীয়তা বিঘ্নিত হয়েছে। এই ‘কালো আইন’-এর বিরুদ্ধে জনস্বার্থে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তিনি সহ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মামলা করেছেন।

খুলনা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস এম আজমল হোসেন অভিযোগ করেন, তার মনোনয়ন আবেদনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল একটি বড় রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ছিনিয়ে নেয়। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে জানালে উল্টো তাকেই দোষারোপ করা হয়।

রাজশাহী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা মহিলা চেয়ারম্যান শেখ হাবিবা বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে শারীরিকভাবেও হেনস্তা করা হয়েছে।