Image description
 

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের দুটি মন্দির কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের অবসান ঘটেছে। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে এ জটিলতার নিষ্পত্তি করায় প্রশংসায় ভাসছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে মন্দির কমিটির প্রতিনিধি, স্থানীয় সুধীজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়। এসময় প্রত্যেক পক্ষের বক্তব্য শুনে পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা, পূজা-পার্বণের সময়সূচি ও মন্দির ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের স্থায়ী সমাধান করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ হলইপট্টি শ্রী শ্রী কান্তি বাসন্তি পূজা মন্দির ও শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ দুর্গা মন্দির কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধ চলছিল। একাধিকবার আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এতদিন কোনো কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যেক পক্ষের দাবি ও বক্তব্য গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো হয়।

 

এ বিষয়ে নুরুদ্দিন অপু বলেন, আমাকে তারেক রহমান আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন ভেদাভেদ ভুলে সবার মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করতে। আজ আমাদের মধ্যে যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হলো তা যেন অটুট থাকে সেই আহ্বান আপনাদের প্রতি রইল। পাশাপাশি আমরা আগামী দিনে শরীয়তপুরে আর কোনো হিংসা-প্রতিশোধ আসতে দিব না।

 
 

তিনি আরও বলেন, সব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা এক পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হয়ে অবহেলিত শরীয়তপুরকে একটি গর্বিত শরীয়তপুর হিসেবে গড়ে তুলব।

 

মন্দির কমিটির নেতারা জানান, আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় ভবিষ্যতে ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালিত হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে এলাকায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।