Image description

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হওয়া যায় এবং নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের হাতে জাদুর কাঠি চলে আসে, বেড়ে যায় তাদের সম্পদ। তিনি বলেন, রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। এই ঋণ শোধ করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে ইশতেহারে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে।দলগুলো ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোটের পক্ষে তা সুস্পষ্ট করতে হবে।

গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘গণ অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষায় কেমন নির্বাচনি ইশতেহার চাই’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সুজন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে জয়ী প্রার্থীরা ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন এবং তাদের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।

 
ক্ষমতার সঙ্গে জাদুর কাঠি রয়েছে। রাজনীতিবিদদের জানাতে হবে এমন অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার সুযোগ, রাজনীতির ব্যবসায়ীকরণের অবসান তারা কীভাবে ঘটাবেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার একটি লিখিত চুক্তি। স্বাক্ষরিত না হলেও এটি ভোটারদের সঙ্গে দলগুলোর চুক্তিনামা।
 
এটি অমান্য করলে নাগরিকদের যেন আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকে। পক্ষান্তরে দলগুলো তাদের অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়ন করেছে এ বিষয়ে মানুষ যেন প্রশ্ন করতে পারে। আমরা দেখেছি, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ‘দিন বদলের সনদ’ নামে একটি ইশতেহার দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ তাদের অঙ্গীকার ভুলে গেছে। এজন্য তাদের মাশুলও দিতে হয়েছে।
 
তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে আইন মেনে কাজ করতে হবে। তাঁরা গণতান্ত্রিক না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না।

 

এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত-এমন ১৫টি বিষয় সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুজনের নির্বাহী কমিটির সদস্য একরাম হোসেন ও দিলিপ কুমার সরকার।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।