আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তিনি নিজের আয়, ব্যয় ও সম্পদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, তার ব্যক্তিগত মালিকানায় কোনো জমি, বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই। তবে পারিবারিকভাবে তার রয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঋণ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ড. মাসুদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ড. মাসুদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৪ টাকা। একই সময়ে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১০ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা। এর বিপরীতে তিনি আয়কর পরিশোধ করেছেন ৪৫ হাজার ৪২৫ টাকা।
সম্পদের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে তার জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ টাকা। পেশা হিসেবে তিনি নিজেকে ‘পরামর্শক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বন্ড এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত শেয়ারে তার বিনিয়োগের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা।
হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, তার বা তার পরিবারের কারও নামে কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি নেই। ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
ড. মাসুদের স্ত্রী পেশায় একজন চিকিৎসক। সর্বশেষ আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ১২ লাখ ২৩ হাজার ৪৪৩ টাকা।
আয়ের উৎস হিসেবে ড. মাসুদ ব্যবসা, পরামর্শ সেবা ও অন্যান্য খাতের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে তার আয় ৫ লাখ ২ হাজার ৮৩০ টাকা, পরামর্শ সেবা থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় দেখানো হয়েছে।