
আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদনের প্রশংসা করেছেন লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পিনাকী ভট্টাচার্য ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির বাংলাদেশের ফ্যাক্ট-চেকবিষয়ক সাবেক সম্পাদক কদরুদ্দিন শিশির।
তারা শনিবার নিজেদের ফেসবুক পোস্টে এ প্রশংসা করেন।
পিনাকী লেখেন, ‘বাংলাদেশের তথাকথিত মূল ধারার বড় বড় গণমাধ্যমের হেডম এক রাতেই ফুটো। মিলিটারিরি নাম নিতেই নিঃশ্বাস কমে আসে। একমাত্র মাহমুদ ভাইয়ের আমার দেশ ছাড়া কেউ লিখেনি নুরের উপর কারা হামলা করেছে। চোখের সামনেই ঘটনা ঘটল কিন্তু কেউ লিখার সাহস পেল না।
দেখা যাবে, আগামী ১ মাস পর আবার এই আমার দেশকেই গালি শুনতে হবে ডানপন্থিসহ হাবিজাবি অভিযোগে।

মানে সেকুলার, প্রগতিশীল ও দালালি সব আদর্শ নিয়ে পত্রিকা চালানো যাবে কিন্তু ডানপন্থি হলে জাত চলে যাবে এই হলো বাঙ্গু সু্শীলদের অবস্থা।
ফ্রান্সের ডান ব্লকের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম La Croix এবং Le Figaro কেও ফার লেফট ব্লকের কোন মিড়িয়া এভাবে চোখ রাঙানোর দুঃসাহস করে না৷ কিন্তু বাংলাদেশে এসব থার্ড ক্লাস লোকেদের লাফালাফি আমাদের সহ্য করতে হয়।
আমি ফ্রান্সে বাম, ডান ও মধ্যপন্থি পত্রিকা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমেও বহুবার সাক্ষাৎকার দিয়েছি। কিন্তু বাংলাদেশের মতো আদর্শিক বায়াজড গণমাধ্যম আর কোথাও দেখিনি। এরাই আবার মানুষকে সকাল-বিকাল জ্ঞান দেয়।’
কদরুদ্দিন শিশির লেখেন, ‘আজকের ৯টি পত্রিকার প্রিন্ট কপি দেখলাম। সবার শিরোনাম মোটামুটি একইরকম: ‘জাপা ও গণঅধিকার এর মধ্যে সংঘর্ষ, অন্য অনেকের সাথে নুর আহত’।
শুধুমাত্র আমার দেশ পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে: ‘ভিপি নুরের ওপর নির্মম হামলা সেনা-পুলিশের’।
কালকের ঘটনার যতগুলো ভিডিও দেখা গেছে অনলাইনে তাতে কোন শিরোনামটি ঘটনাকে একিউরেটলি পোর্ট্রে করতে পারছে বলে আপনার মনে হয়?
ঘটনাস্থলে জাপা/অধিকার পরিষদ সংঘর্ষ হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নুর আহত হয়েছেন তার কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতিরত অবস্থায়। ওই জায়গায় হামলাটি আনপ্রোভোকড ছিল। এবং একমাত্র পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ওখানে হামলা করে এবং পিটিয়ে খুচিয়ে নেতাদের আহত করে। এই ঘটনাস্থলে একজন লাল শার্টওয়ালা অচিহ্নিত ব্যক্তি ছাড়া আর সিভিলিয়ান পোশাকে কাউকে মারধর করতে ভিডিওতে দেখা যায়নি।
ভিডিওতে এত স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান পুলিশ ও সেনাদের বর্বর হামলাকে প্রায় সব মিডিয়া 'জাপা-গণঅধিকার পরিষদ এর সংঘর্ষ ' বলে চিত্রিত করলো কেন?’