
২০১২/২০১৩ সালের দিকে চারদলীয় পরে বিশদলীয় জোট তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুণঃ প্রতিষ্ঠা নিয়ে যখনই আন্দোলন করতে গেছে, তখনই আওয়ামী বাকশাল এবং তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সার্কেল থেকে বয়ান ছাড়া হয়েছে যে বিএনপি / জোট যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করতেই এই আন্দোলন করছে।
এর বিরুদ্ধে পাল্টা বয়ান বিএনপি তৈরি করতে পারে নাই। এতে অত্যন্ত কাতর হয়ে বিএনপি/ জোট তাদের আন্দোলন থামিয়ে স্তব্দ হয়ে পড়ত!
এখন একই কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে। বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে মিনিমাম সম্পর্ক রাখা জরুরি হলেও এই ব্যাপারে কাউকে মুখ খুলতে দিচ্ছে না।
একই কায়দায় সুশীল সমাজের মুখটি বন্ধ করে ফেলা হচ্ছে। যে বা যারাই এই কাজটি করতে যাচ্ছেন তাদেরকেই জামায়াত বলে ট্যাগ মারা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এটা জামায়াতকে টেনে তোলার প্রচেষ্টা।
অথচ প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্যে জামায়াতের ট্রেসহোল্ড লিমিট বিএনপির চেয়ে বেশি! বর্তমান পরিস্থিতিতে জামায়াতকে টেনে তোলার দরকার পড়ছে না।
বরং তারা এতটাই উঠে গেছে যে এটা তাদের জন্যে আবার বদ হজম হয়ে পড়ে কি না - সেই আশংকা দেখা দিয়েছে।
কাজেই বিএনপি এবং জামায়াতকে যে করেই হোক একটা সমঝোতায় আসতেই হবে। কোনও ভাবেই জাতীয় নির্বাচন পেছানো যাবে না। The nation can't afford it.