সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করেও গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তৈরি করেছে একের পর এক গোলের সুযোগও। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা ও ভুটানের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যেতে হয়েছে দুই দলকে। প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ০-০।
প্রথমার্ধে অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিল ভুটান। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতেই বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়েছে তাদের। পুরো প্রথমার্ধে বাংলাদেশের গোলমুখে মাত্র একবার শট নিতে পেরেছে ভুটান।
অন্যদিকে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ধার দেখায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে দুই উইং ব্যবহার করে একের পর এক আক্রমণ সাজায় দলটি। পরে মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ তৈরি ও দূরপাল্লার শটেও গোলের চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। তবে ফরোয়ার্ড বিশ্বনাথ ঘোষের একাধিক সুযোগ নষ্ট এবং ভুটানের জমাট রক্ষণে গোলের মুখ খুলতে পারেনি দল।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই প্রথম ভালো সুযোগ তৈরি করে বাংলাদেশ। ডান প্রান্ত থেকে রাকিব হোসেনের বাড়ানো ক্রস বক্সে থাকা বিশ্বনাথের দিকে যাচ্ছিল। তবে তার কাছে পৌঁছানোর আগেই বল ক্লিয়ার করেন ভুটানের এক ডিফেন্ডার।
ম্যাচের ১৮তম মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ আসে বাংলাদেশের সামনে। এবার রাকিবের ক্রস থেকে দূরের পোস্টে বল পান বিশ্বনাথ। তবে তার হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে আরও একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন বিশ্বনাথ। অনেকটা ফাঁকা অবস্থায় বল পেয়েও ভুটানের রক্ষণভাগের জটলা ভেদ করতে পারেননি তিনি। ১৪ মিনিট ব্যবধানে ফের গোলের সুযোগ নষ্ট করেন এই ফরোয়ার্ড।
৪০তম মিনিটে প্রথমবারের মতো লক্ষ্যে শট নিতে সক্ষম হয় ভুটান। তবে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণের জন্য সেটি খুব কঠিন পরীক্ষা ছিল না। বলের গতিপথ বুঝে যথাসময়ে ঝাঁপিয়ে সেটি নিরাপদে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও একবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছায় বাংলাদেশ। ৪৪তম মিনিটে জামাল ভূঁই য়ার নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে হেডে বল পেছনে বাড়ান সমিত সোম। গোলমুখে অবস্থান করছিলেন জিদান ইউসুফ ও সাদ উদ্দীন। কিন্তু দুজনের কেউই বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি।
এভাবে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা না পেয়ে প্রথমার্ধ শেষ করেছে বাংলাদেশ।