
Kai Kaus (কাই কাউস)
গুলির মুখে যারা অবলীলায় বুক পেতে দিতে পারে, ক্ষমতার দিকে কেন তারা পিছু ফিরতে পারেনা? নতুন কিছু কেন নতুনভাবে শুরু হয়না?
একটা দীর্ঘ আভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে ঘোষণাটা তো শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। সেজন্য কেন সেই বহু মিথ্যাচার আর ভন্ডামির গতানুগতিক প্রেসক্লাব, শহীদ মিনার, বটমূল, টিএসসি কিংবা মধুর ক্যান্টিন লাগে? কেন শহর থেকে দূরে কোনো অবহেলিত জনপদে, নদীর বুকে, পাহাড়ে কিংবা একান্ত ঘরোয়াভাবে নিজেদের বসার ঘরে বা বাড়ির আঙ্গিনায় হয়না? প্রযুক্তির এই যুগে সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তো মুহুর্তেই ছড়িয়ে যাচ্ছে। অবহেলিত জনপদে দাঁড়িয়ে বলতে পারে এই জনপদ আমরা বদলে দেয়ার রাজনীতি করতে এসেছি, নদীর বুকে দাঁড়িয়ে বলতে পারে এই নদীকে আর আমরা বেদখল আর দূষিত হতে দিবোনা, আপনার ঘরের আঙ্গিনায় দাঁড়িয়ে বলতে পারে আমরা এক পরিবার হয়েই থাকবো। এখনো অকল্পনীয় যদিও।
কারণ নয়া বন্দোবস্ত তো আসলে একটা বস্তাপঁচা সস্তা রাজনৈতিক ভেল্কিবাজি। ব্যতিক্রম, অনন্যতা, সৃজনশীলতা, নতুন ধারণা, বিকশিত চিন্তা আর অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়ার নামই নয়া বন্দোবস্ত। মাস্টারমাইন্ডের জগাখিচুড়ি নদীমাতৃক তত্ত্বালাপ নয়া বন্দোবস্ত না।
যদি নয়া বন্দোবস্ত একটা ভাঁওতাবাজি হয়, তাহলে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে যে প্রধান দুই পুরানা বন্দোবস্তের দল আছে তাদেরকেই শক্তিশালী করা। তাদের বাধ্য করা তাদের গতানুগতিক রাজনীতিকে সংস্কার করে নয়া বন্দোবস্তের কাছাকাছি নিয়ে আসতে। ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে তাদের ভুলগুলি সংশোধন করতে। তাদের মাঝে যদি আমাদের চব্বিশের মর্মবাণীর বিপরীত কিছু থেকে থাকে তাকে সমূলে উপড়ে ফেলতে।
কারণ আগামীর রাজনীতি তাদের। ডুবলে তারা একা ডুববে না, সাথে দেশটাকেও ডুবিয়ে যাবে॥