প্রস্তুতির সময় দিয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের শিগগিরই পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রস্তুতির সময় এক মাসের বেশি দেওয়া হবে না।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭, যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২, বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪, সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০, কুমিল্লা ৪৮ দশমিক ০৪, ময়মনসিংহ ৫১ দশমিক ৪৪, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাস করেছেন ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে।
গত ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে পরে তা নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
যেভাবে ফল দেখা যাবে
এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠান উদ্বোধনের সাথে সাথেই ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের Result sheet download করা যাবে এবং SMS-এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরাও তাদের ফলাফল জানতে পারবেন।
বোর্ডসমূহ কর্তৃক প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য ওই ওয়েবসাইটের Result কর্ণারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN-এর মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ডসমূহের কমন ওয়েবসাইট eduboardresults.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।