Image description

Ali Ahmad Mabrur (আলী আহমদ মাবরুর)

আলহামদুলিল্লাহ। এটিএম আজহারুল ইসলাম চাচার লিভ পিটিশন মনজুর। যদি একটু ভেঙে বলি, ওনার মামলায় ট্রায়াল কোর্ট অর্থাৎ ট্রাইবুনালের রায় দেয়া হয়েছে। এরপর সে রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপীল বিভাগে আপীল করেছেন। সেই আপীল মামলারও রায় দেয়া হয়েছে। এরপর আর একই কাজই করার বাকি ছিল। তাহলো আপীল আদালতের দেয়া রায়ের ওপর রিভিউ আবেদনের শুনানি।
 
ওনার আইনজীবীরা গতকাল ও আজ শুনানি করে যা অর্জন করলেন তাহলো, আপীল বিভাগ এক স্টেপ পেছাতে রাজি হয়েছেন। অর্থাৎ আইনজীবীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে, ওনার মামলায় এর আগে যে আপীল শুনানি ও রায় দেয়া হয়েছে তাতে জাস্টিস করা হয়নি। এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়ে আজ আপীল বিভাগ পুনরায় আপীল শুনানি করতে রাজি হয়েছেন। এর আগে, আমার সম্মানিত পিতা বা অন্য কোনো দায়িত্বশীলের বেলায় এভাবে রিভিউ গ্রহণ করা হয়নি। আজহার চাচার ক্ষেত্রেই প্রথমবারের মতো এটি হলো আলহামদুলিল্লাহ।
 
আইনজীবীদের সূত্র থেকে যতটুকু জানতে পেরেছি, সুপ্রিম কোর্টে সরাসরি আপিল করার কোন নিয়ম নেই এজন্য প্রথমে আপিলের অনুমতি অর্থাৎ লিভ টু আপিল পিটিশন দায়ের করতে হয়। লিভ টু আপিল পিটিশন গ্রহণ হলে অর্থাৎ লিভ এলাউ হলে পরে নিয়মিত আপিল দায়ের করতে হয়।
 
এটিএম আজহার চাচার মামলায় আপিল দায়ের অনুমতি অর্থাৎ লিভ টু আপিল আবেদন খারিজ হয়েছিল,পরে সেই খারিজের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশনও দায়ের করা হয়েছিল। আজকে রিভিউ পিটিশন মঞ্জুর হয়েছে অর্থাৎ উনি আপিল করার অনুমতি পেয়েছেন। ,এখন নিয়মিত আপিল দায়ের হবে তারপর সেই আপিল শুনানি হবে তারপর ওনার মামলার পরিনতি নির্ধারণ হবে।
 
আগামী ২২ এপ্রিল নতুন করে আপীল শুনানি শুরু হবে। এই যে, সময়ের গ্যাপটি পাওয়া গেল এবং রিভিউ শুনানি করারও অনুমতি পাওয়া গেল, এটি একটি বড়ো সুযোগ এবং এই সুযোগে ওনার আইনজীবীরা এখন তার জন্য জামিন শুনানি করতে পারবেন। বলা যায়, আজকের এই রায়ের কারণে আজহার চাচার পক্ষে নতুন করে দুটো আইনী পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ তৈরি হলো এবং একইসাথে জামিন পাওয়ারও সম্ভাবনা সৃষ্টি হলো। আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহায্য করুন। আমিন।