সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে এনামুল ইসলাম (৫৩) নামে এক স্কুল শিক্ষককে মারধরের পর পুলিশ দিয়েছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠালো হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে শিক্ষক এনামুল ইসলামকে আটক করে গোলাপগঞ্জ থানা-পুলিশ। তিনি উপজেলার একটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কয়েক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জেলার কানাইঘাট উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল ভুক্তভোগী এক শিশুর বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহের সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরে তারা বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে গিয়ে ওই প্রধান শিক্ষককে মারধর করে আটকে রাখে। বিকেলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা থানায় খবর দিলে বিদ্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মো. ছবেদ আলী আজ বিকালে বলেন, বলাৎকারের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে আটকে রাখার খবরে গতকাল বিকেলে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে শিক্ষার্থীর বাবা মামলা করলে আজ দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বিচারকের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।