Image description

কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতের আইনজীবী সহকারী (ল’ ক্লার্ক বা মুহুরি) সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কারাবন্দি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনজীবী সহকারী আব্দুল বাতেন মুহুরি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে এ দিন রাতে ফলাফল ঘোষণা করে সমিতি গঠিত নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা বারের সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আব্দুল বাতেন কুড়িগ্রাম জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকনের আইনজীবী সহকারী। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং একই ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি। গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নির্বাচনে পরাজিত করতে তাকে গ্রেফতার করানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তার সমর্থক মুহুরিরা।

 

কুড়িগ্রাম সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক কারণে আব্দুল বাতেনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে জানা গেছে, নির্বাচনে ১৪ সদস্যের প্যানেলের মধ্যে আব্দুল বাতেন সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৮ জন বিজয়ী হয়েছেন। সমিতির সভাপতি পদে আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৩৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক আহমেদ পেয়েছেন ১৪০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন আব্দুল বাতেনের প্যানেলের আরেক মুহুরি আতিয়ার রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুর রহমান পেয়েছেন ১০১ ভোট। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৬২। ভোট প্রদান করেছেন ৩৫৮ জন।

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের এক দিন আগে একজন প্রার্থীকে গ্রেফতার করায় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি মর্মাহত হয়েছি। আব্দুল বাতেনকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে আমি জানি না। তবে তাকে গ্রেফতার করার কারণে সে অনেক সহানুভূতি ভোট পেয়েছে এবং তার প্যানেলের সংগরিষ্ঠ সদস্য বিজয়ী হয়েছে।’