রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় এ অভিযান শুরু হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা উত্তর সিটির ভেঙ্গে দেওয়া ফুটপাতের দোকান মেরামত করছিলেন অনেক হকার। এসময় উৎসুক জনতা ভিড় জমান। পরে পুলিশ তাঁদের ধাওয়া দিয়ে আটক করে।
তবে আটকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন, তাঁরা হকার না। এরমধ্যে হাওলাদার নাম একজন নিজেকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেন।
মোহাম্মদ হাসান নামে একজনকে তাঁর বাসার সামনে থেকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁর বাবা মতিউর রহমান। তিনি বলেন, আমার ছেলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে। রাস্তায় বের হওয়ার পর তাঁকে আটক করা হয়। সে হকার না।
আটক তৌহিদুল ইসলাম ফার্মেসিতে কাজ করেন বলে দাবি করেন তাঁর বাবা রমিজ উদ্দিন। তিনি বলেন, আমার ছেলে মিরপুর ১ নম্বরে ফার্মেসিতে কাজ করেন।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিরপুর জোন) আবুল বাশার মোল্লা বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আমরা আনুমানিক ৩০ জনকে আটক করেছি। তাঁদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। নাশকতার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পেলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।
তবে এ প্রতিবেদক গুনে ৩৮ জনকে আটক পেয়েছেন।
সংঘর্ষের পেছনে কোনো গোষ্ঠীর উস্কানি ছিলো কিনা এমন প্রশ্নেরে জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা তদন্ত করে তারপর বলবো। সংঘর্ষের ৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।