Image description

দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌরসভার মাঠপাড়া এলাকার তরুণী রাইসা আক্তার তারার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের টানে বাংলাদেশে এসেছেন চীনা যুবক পংফং (৩৭)। পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ‘মোহাম্মদ আলী’ নাম ধারণ করেন তিনি। এরপর রাইসাকে বিয়ে করেন ওই যুবক।

গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন পংফং। পরে গাজীপুর আদালতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখেন মোহাম্মদ আলী। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি রাইসা আক্তার তারার বাড়িতে আসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পংফং পেশায় গার্মেন্টস পণ্যের ক্রেতা। তার বাড়ি চীনের হুবেই প্রদেশে। তার বাবার নাম ফাংলে জুন এবং মায়ের নাম শিয়ান চিং। অন্যদিকে রাইসা আক্তার হিলির মাঠপাড়া এলাকার রিয়াজুল হকের মেয়ে। তিনি ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।

রাইসা আক্তার জানান, ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে পংফংয়ের এক চাচার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তিনি চীনে বিয়ে করে যাওয়ার ইচ্ছার কথা ওই ব্যক্তিকে জানান। পরে তিনি তার ভাতিজা পংফংয়ের সঙ্গে রাইসার পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর মুঠোফোনে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

রাইসা বলেন, আমি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সে রাজি হয়। আমাকে বিয়ে করার জন্য গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসে। পরে গাজীপুর আদালতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। বর্তমানে তার নাম মোহাম্মদ আলী। এরপর সে আমাকে বিয়ে করেছে। এতে আমার পরিবার ও এলাকাবাসী সবাই খুশি।

রাইসার নানা বাদল বলেন, আমার নাতনি ঢাকায় থাকে। সেখানে তার সঙ্গে চীনা ওই যুবকের পরিচয় হয়। তারা একে অপরকে পছন্দ করেছে। পরে চীনা যুবক বাংলাদেশে এসে আমার নাতনিকে বিয়ে করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে তারা বাড়িতে এসেছে। এতে পরিবারের সবাই আনন্দিত।