প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য ও মেধাবী চাকরিপ্রার্থীদের বাদ দেওয়া হলো কেন- এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তুলেন।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, মেধা ও যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে হাজারো তরুণকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। লিখিতসহ নিয়োগের অন্যান্য ধাপে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও দীর্ঘ আট মাস ধরে তাদের ভেরিফিকেশনের নামে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা ও মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এসব প্রার্থীর অনেককেই নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকতেই পারে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন- কোন আইনি ভিত্তিতে, কী মানদণ্ডে এবং কী প্রক্রিয়ায় একজন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলো?
কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ থাকলে তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, আর অভিযোগ না থাকলে তাকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করার কারণ কী?
এনসিপির এ নেতা বলেন, সরকারকে ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড এবং প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই, তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারি চাকরি কোনো সরকারের দয়া, দলীয় পুরস্কার বা রাজনৈতিক আনুকূল্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, মেধা ও যোগ্যতায় উত্তীর্ণ একজন নাগরিকের অধিকারকে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশন বা রাজনৈতিক বিবেচনায় খর্ব করার অধিকার কোনো সরকারের নেই।