ঋণ আদায়ের একটি মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিটিসেলের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খানসহ প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের (পিবিটিএল) চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার অর্থঋণ আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) পিএলসি কর্তৃক দায়ের করা ঋণ আদায়ের মামলায় অর্থঋণ আদালত-৭ এই পরোয়ানা জারি করেন। মামলাটি অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৪(১) ধারার আওতায় দায়ের করা একটি মানি এক্সিকিউশন কেস।
মোরশেদ খান ছাড়াও যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন- প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের পরিচালক আসগর করিম ও নাসরিন খান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. ফারিকুল হাসান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহবুব চৌধুরী।
প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড ‘সিটিসেল’ নামে পরিচিত একটি মোবাইল অপারেটর, যার কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। মামলার নথিতে মো. ফারিকুল হাসানকে ঋণদাতা বা ‘গ্র্যান্টর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের মাধ্যমে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাদের গ্রেপ্তার করে আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৪(১) ধারায় আদালতের রায় বা ডিক্রি অনুযায়ী পাওনা অর্থ বা সম্পত্তি পরিশোধে ব্যর্থ কোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি আটকাদেশের বিধান রয়েছে।
এই বিধানের আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি আটকাদেশে রাখা যেতে পারে।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় মোরশেদ খানসহ সংশ্লিষ্টদের ঠিকানা হিসেবে ‘প্যাসিফিক সেন্টার, মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা’ (Mohakhali C/A) উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আদালতের নথিপত্রে এ মামলায় বকেয়া অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।