Image description

উড়োজাহাজ কেনার নামে খরচ হয়েছে বিপুল অর্থ। বিক্রি হয়েছে একাডেমির জমি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও নেওয়া হয়েছে লাখ লাখ টাকা। অথচ বছরের পর বছর বন্ধ উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ। কর্মীদের বেতনও বকেয়া। শেষ পর্যন্ত তহবিল সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে দেশের প্রায় আট দশকের পুরোনো পাইলট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড জেনারেল অ্যাভিয়েশন লিমিটেড।

দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কার্যত থমকে গেছে। গত ২৮ জুন থেকে একাডেমিটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন আবু সাফা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে কার্যক্রম স্থগিতের বিষয়টি জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি তহবিলের অভাব, পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার ঘাটতি এবং উড্ডয়নযোগ্য উড়োজাহাজ না থাকাকে কার্যক্রম বন্ধের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে অনুসন্ধানে একাডেমিটির দীর্ঘদিনের সংকটের পেছনে আর্থিক অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ক্যাডেট পাইলটরা। লাখ লাখ টাকা খরচ করে ভর্তি হওয়ার পরও তারা নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে পারছেন না। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ পাইলট এই একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এমন একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, দেশের বিমান চলাচল খাতের জন্যও বড় ক্ষতি। 

পাইলট হওয়ার জন্য গ্রাউন্ড প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাদার পাইলট হিসেবে ককপিটে বসার আগে একজন প্রশিক্ষণার্থীকে অন্তত ১৭০ ঘণ্টা উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ নিতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমিতে এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপই বছরের পর বছর ধরে থমকে আছে।

এমন শিক্ষার্থীদের একজন সাইদ রিয়াদ। ২০২৩ সালে তিনি বাংলাদেশ

ফ্লাইং একাডেমিতে ভর্তি হন। গ্রাউন্ড কোর্স শেষ করলেও এখনো উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি বলেন, দুই বছরে কোর্স শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন বছর ধরে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। ম্যানেজমেন্ট আমাদের সব সময় আশা দিয়ে রেখেছেÑপরবর্তী মাসে ফ্লাইং প্রশিক্ষণ শুরু হবে। কিন্তু তা আর শুরু হয়নি। তার দাবি, একাডেমিতে এমন ক্যাডেটও আছেন, যারা আট বছর ধরে উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের অপেক্ষায় আছেন।

তহবিল সংকটের কথা বলছে কর্তৃপক্ষ

ক্যাপ্টেন আবু সাফা আমার দেশকে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হয়নি। মূল সমস্যা তহবিল সংকট। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনের শেষদিক থেকে তহবিল সংকটের কারণে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। একাডেমির আয়ের প্রধান উৎস উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ হলেও ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তারা নিয়মিত উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ চালাতে পারেনি। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আবার প্রশিক্ষণ শুরু হলেও তা মাত্র এক মাস চলে।

তিনি বলেন, উড়োজাহাজের কারিগরি সমস্যা, আর্থিক সংকট ও পেশাদার জনবলের ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে ধীরে ধীরে তহবিল সংকট তৈরি হয়। এ অবস্থায় নির্বাহী কমিটির এক সদস্য ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ২০২৬ সালের মে মাস থেকে তিনিও আর অর্থ দিতে পারেননি। ফলে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় একাডেমি।

বিপাকে ক্যাডেটরা

কর্তৃপক্ষের হিসাবে একাডেমিতে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৫ জন চলতি বছর অন্য ফ্লাইং স্কুলে ভর্তি হয়েছেন। বাকি শিক্ষার্থীরা একাডেমিতে থেকে গ্রাউন্ড কোর্স শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ক্যাপ্টেন আবু সাফা বলেন, শিক্ষার্থীরা চাইলে পরবর্তী পর্যায়ের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের জন্য অন্য ফ্লাইং স্কুলেও আবেদন করতে পারবেন। তিনি আরো বলেন, একাডেমি পুনরায় চালুর জন্য সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে কবে আবার কার্যক্রম শুরু হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

একটি উড়োজাহাজও উড়ছে না

বর্তমানে লিজ নেওয়া একটি সেসনা-১৫২ প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ একাডেমির কাছে রয়েছে। কিন্তু সেটিও বিভিন্ন কারিগরি সমস্যায় মাটিতে পড়ে আছে। আবু সাফা বলেন, উড়োজাহাজটি পুরোনো হওয়ায় এর যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করা কঠিন। যন্ত্রাংশ আমদানি ও সংযোজনের জন্য বেবিচকের অনুমোদন পেতেও সময় লাগে। এসব কারণে উড়োজাহাজটি চালু করা সম্ভব হয়নি।

তিনি জানান, উড়োজাহাজটির প্রপেলারের নির্ধারিত ব্যবহারের সময়সীমা শেষ পর্যায়ে। পরবর্তী ২০০ ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এর ইঞ্জিনও পরিবর্তন করতে হবে। একাডেমি একটি নতুন প্রপেলার আমদানি করতে সক্ষম হলেও নিয়ন্ত্রকসংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেটি উড়োজাহাজে সংযোজন করা সম্ভব হয়নি।

২০০৯ সালের পর থেকেই ভাঙন

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৯ সালের পর থেকেই একাডেমিটির সংকট ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এরপর ব্যবস্থাপনা, আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ধানমন্ডিতে থাকা একাডেমির ২০ কাঠা জমির মধ্যে ১৮ কাঠা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট দুই কাঠাও বিক্রির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এ অভিযোগের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন ক্যাপ্টেন আবু সাফা। তার দাবি, ১৮ কাঠা জমি ১৯৯৩ সালে বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার অনেক আগেই তৎকালীন কমিটি বিক্রি করেছিল। ওই কমিটির অধিকাংশ নির্বাহী সদস্যই মারা গেছেন।

তিনি জানান, জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে বারিধারা আবাসিক এলাকায় তিনটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছিল। পরে সেগুলো বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। তবে বারিধারা সোসাইটি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় কয়েক বছর ধরে ফ্ল্যাটগুলো খালি পড়ে আছে। 

উড়োজাহাজ কেনার টাকা গেল কোথায়

একাডেমির প্রধান প্রকৌশলী কামরুজ্জামান মিনা আমার দেশকে বলেন, প্রায় এক যুগ আগে সাবেক ক্যাপ্টেন মনোয়ার একাডেমির ছয়টি প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ বসিয়ে দেন। ওই সময় ক্ষমতাশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে কেউ এ বিষয়ে কথা বলার সাহস পাননি।

কামরুজ্জামান মিনার দাবি, একাডেমির অর্থে দুটি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দুই বছর আগে রাজশাহীতে একটি বিমান দুর্ঘটনার পর নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য দুই কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। তার অভিযোগ, ওই অর্থ আত্মসাৎ করে একটি চক্রের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনেও অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধান প্রকৌশলী আরো বলেন, একাডেমির এক কোটি ৭৫ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত ছিল। সেখান থেকে এক কোটি ৭৩ লাখ টাকা তুলে থাইল্যান্ড থেকে উড়োজাহাজ কেনার কথা বলা হয়েছিল। তিনি নিজে থাইল্যান্ডে গিয়ে একটি উড়োজাহাজ পরিদর্শন করেন। শেষ পর্যন্ত সেটি একাডেমিতে আসেনি। ওই অর্থও ফেরত পাওয়া যায়নি। ওই টাকা গেল কোথায়Ñপ্রশ্ন কামরুজ্জামানের।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রায় এক কোটি টাকা একাডেমিতে জমা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ওই অর্থের হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই কর্মকর্তা।

কর্মীদের বেতন বকেয়া

অভ্যন্তরীণ সূত্রের অভিযোগ, গত এক দশকের অব্যবস্থাপনা ও আর্থিক অনিয়ম প্রতিষ্ঠানটিকে ধীরে ধীরে দুর্বল করেছে। অনেক কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। কেউ কেউ স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছেন। বর্তমানে কর্মরতদের অনেকে তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। এর আগে তাদের অর্ধেক বেতন দেওয়া হতো। ফলে বেতন বাবদও বড় অঙ্কের অর্থ বকেয়া রয়েছে।

বসিয়ে রাখা হয়েছিল নিজস্ব উড়োজাহাজ

উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি প্রশিক্ষণ বিমান লিজ নেওয়ার পাশাপাশি বেবিচকের দেওয়া একাডেমির মালিকানাধীন তিনটি উড়োজাহাজ বসিয়ে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ছিল দুই ইঞ্জিনের উড়োজাহাজ।

সূত্রগুলোর দাবি, এতে লিজদাতা প্রতিষ্ঠান লাভবান হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি ও বেবিচকের সম্পর্কের অবনতিতেও এর প্রভাব পড়ে। আর্থিক অনিয়মের কারণে বেবিচক একাডেমিকে দেওয়া আর্থিক সহায়তা প্রত্যাহার করে নেয়। ওই সহায়তার আওতায় শিক্ষার্থীদের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের খরচ মেটানোর ব্যবস্থাও ছিল। 

ঢাকা বিমানবন্দরে একাডেমির হ্যাঙ্গার পরিচালনা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, পার্কিং ফি বাবদ সেখান থেকে প্রতি মাসে চার-পাঁচ লাখ টাকা আয় হতো। ওই অর্থ আদায় ও ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়েছে।

নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন

সূত্রের তথ্যানুযায়ী, ২০১৭ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়নি। প্রতি দুই বছর পর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি।

একাডেমির আজীবন সদস্য ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার প্রবণতা আগে থেকেই চলে আসছে। একজন আজীবন সদস্য হিসেবে ফ্লাইং ক্লাবের কার্যক্রম দুর্নীতিমুক্ত করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরুজ্জীবিত করা তার দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার কর্তৃপক্ষের

তবে দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছেন ক্যাপ্টেন আবু সাফা। তিনি বলেন, কয়েকজন আজীবন সদস্য ও সাবেক কর্মচারী ফ্লাইং একাডেমির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অন্যান্য বিষয়ে গুজব ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। এসব অভিযোগ সত্য নয়।

তার দাবি, বর্তমান নির্বাহী কমিটির কাছে প্রতিষ্ঠানের সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিরীক্ষাও হালনাগাদ রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আজীবন সদস্যদের নিয়ে একটি অতিরিক্ত সাধারণ সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখানেও তহবিল সংকট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আবু সাফা স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি একটি লিমিটেড কোম্পানি। এটি সরকার পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।

আট দশকের ইতিহাস

১৯৪৮ সালের ১০ মে চট্টগ্রামে পূর্ব পাকিস্তান ফ্লাইং ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতার পর এর নাম হয় বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাব। পরে ২০০৪ সালে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড জেনারেল অ্যাভিয়েশন লিমিটেড নামে সরকার-সমর্থিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটি আট শতাধিক বাণিজ্যিক পাইলট তৈরি করেছে। একসময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯৫ শতাংশের বেশি পাইলট এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে। একাডেমির সাবেক শিক্ষার্থীরা কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ, এয়ার এশিয়া, সৌদিয়া, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস ও মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থায়ও কাজ করেছেন।

একসময় একাডেমির বহরে টার্বোপ্রপ, উভচর বিমান ও দুই ইঞ্জিনের বিমানসহ ১১ ধরনের উড়োজাহাজ ছিল। সেই প্রতিষ্ঠানেই এখন উড়োজাহাজ সংকট, প্রশিক্ষণ সংকট, অর্থের সংকট, কর্মীদের বেতন বকেয়া। সবচেয়ে বড় কথা, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ক্যাডেট পাইলটরা।

বিমান পরিবহন খাত যখন দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং দক্ষ পাইলটের চাহিদা বাড়ছে, তখন দেশের অন্যতম পুরোনো পাইলট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া উদ্বেগের বিষয়। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, একাডেমির আর্থিক ও পরিচালনাগত অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সরকারি বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির পুনরুজ্জীবন কঠিন হয়ে পড়েছে।